Get the app

Sahih Muslim 479a

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) drew aside the curtain (of his apartment) and (he saw) people in rows (saying prayer) behind Aba Bakr. And he said: Nothing remains of the glad…

Ibn Abbasnarrated it
Sahihgraded sahih
9names in the chain
Read Muslim 479a in the appOffline, in the WhatSurah app. Free.Get the app

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، أَخْبَرَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ سُحَيْمٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ

قَالَ كَشَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السِّتَارَةَ وَالنَّاسُ صُفُوفٌ خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ فَقَالَ: «أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لَمْ يَبْقَ مِنْ مُبَشِّرَاتِ النُّبُوَّةِ إِلاَّ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُسْلِمُ أَوْ تُرَى لَهُ أَلَا وَإِنِّي نُهِيتُ أَنْ أَقْرَأَ الْقُرْآنَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا فَأَمَّا الرُّكُوعُ فَعَظِّمُوا فِيهِ الرَّبَّ عَزَّ وَجَلَّ وَأَمَّا السُّجُودُ فَاجْتَهِدُوا فِي الدُّعَاءِ فَقَمِنٌ أَنْ يُسْتَجَابَ لَكُمْ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) drew aside the curtain (of his apartment) and (he saw) people in rows (saying prayer) behind Aba Bakr. And he said: Nothing remains of the glad tidings of apostlehood, except good visions which a Muslim sees or someone is made to see for him. And see that I have been forbidden to recite the Qur’an in the state of bowing and prostration.

So far as Ruku is concerned, extol in it the Great and Glorious Lord, and while prostrating yourselves be earnest in supplication, for it is fitting that your supplications should be answered.

আবূ রাবী আল 'আতাকী, সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... মা'বাদ ইবনু হিলাল আল আনাযী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) এর নিকট (আলোচনার উদ্দেশে) যাত্রা করি এবং সুপারিশকারী হিসেবে সাবিতের সাহায্য নিলাম।

(বর্ণনাকারী বলেন) আমরা যখন আনাসের নিকট গিয়ে পৌছি, তখন তিনি সালাতু যুহা (চাশত) আদায় করছিলেন। সাবিত (রাযিঃ) আমাদের জন্য অনুমতি চাইলেন। তারপর আমরা আনাস (রাযিঃ) এর মাজলিসে প্রবেশ করলাম। আনাস (রাযিঃ) সাবিতকে চৌকিতে তার পাশে বসালেন।

তারপর সাবিত (রাযিঃ) আনাস (রাযিঃ) কে বললেন, হে আবূ হামযাহ! আপনার এ বাসরার ভাইয়েরা আপনার নিকট থেকে শাফা’আত বিষয়ক হাদীস জানতে চাচ্ছে। তখন আনাস (রাযিঃ) বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ইরশাদ করেছেন, কিয়ামতের দিনে মানুষ বিপর্যস্ত অবস্থায় এদিকে সেদিকে ছুটাছুটি করতে থাকবে। অবশেষে সবাই আদম (আঃ) এর নিকট এসে বলবে, আপনার সন্তানদের জন্য সুপারিশ করুন।

তিনি বলবেন, আমি এর উপযুক্ত নই, বরং তোমরা ইবরাহীমের নিকট যাও। কেননা তিনি আল্লাহর বন্ধু। সবাই ইবরাহীম (আঃ) এর নিকট আসলে তিনি বলবেন, আমি এর যোগ্য নই, তবে তোমরা মূসার নিকট যাও। কেননা, তিনি আল্লাহর সাথে কথোপকথনকারী। তখন সকলে তার নিকট আসবে। তিনি বলবেন, আমি তো এর উপযুক্ত নই, তবে তোমরা ঈসা (আঃ)-এর নিকট যাও।

তিনি আল্লাহ প্রদত্ত রূহ ও তার কালিমাহ। এরপর তারা ঈসা (আঃ)-এর নিকট আসবে। তিনি বলবেন, আমি এর যোগ্য নই, তবে তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যাও। এরপর তারা আমার নিকট আসবে। আমি বলব, আমিই এর জন্য যোগ্য আমি যাচ্ছি। অনন্তর আমি আমার পরওয়ারদিগারের অনুমতি প্রার্থনা করব। আমাকে অনুমতি দেয়া হবে।

আমি তার সম্মুখে দাঁড়াব এবং এমন প্রশংসাসূচক বাক্যে তার প্রশংসা করতে থাকব যা এখন আমি তা করতে সক্ষম নই; অবশ্য তখনই আল্লাহ আমাকে তা শিখিয়ে দিবেন। এরপর আমি সাজদায় লুটিয়ে পড়ব। আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা উঠান। বলুন, আপনার কথা শুনা হবে; প্রার্থনা করুন, কবুল করা হবে; শাফা’আত করুন, আপনার শাফা’আত গ্রহণ করা হবে।

তখন আমি বলব, হে পরওয়ারদিগার, উম্মাতী, উম্মাতী, ("আমার উম্মত, আমার উম্মত")। এরপর (আমাকে) বলা হবে, চলুন, যার অন্তরে গম বা যব পরিমাণও ঈমান অবশিষ্ট পাবেন তাকে জাহান্নাম থেকে উদ্ধার করে আনুন। আমি যাব (এবং তদানুসারে উদ্ধার করব)। পুনরায় আমার পরওয়ারদিগারের দরবারে ফিরে যাব এবং পূর্বারূপ প্রশংসাসূচক বাক্যে তার প্রশংসা করব।

এরপর আমি সাজদায় লুটিয়ে পড়ব। আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা তুলুন, বলুন, আপনার কথা শুনা হবে; প্রার্থনা করুন, কবুল করা হবে; সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ গৃহীত হবে। তখন আমি বলব, হে পরওয়ারদিগার উম্মাতী, উম্মাতী ("আমার উম্মত, আমার উম্মত")। বলা হবেঃ যান, যে ব্যক্তির অন্তরে একটি সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান অবশিষ্ট থাকবে তাকেও জাহান্নাম থেকে মুক্ত করুন।

এরপর আমি যাব এবং তাদের উদ্ধার করে আনবো। পুনরায় আমি পরওয়ারদিগারের দরবারের ফিরে যাব এবং পূর্বানুরূপ প্রশংসাসূচক বাক্যে তার প্রশংসা করব। এরপর আমি সাজদায় লুটিয়ে পরব। আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! মাথা তুলুন, বলুন, আপনার কথা শুনা হবে; প্রার্থনা করুন, কবুল করা হবে; শাফা’আত করুন, শাফা’আত গৃহীত হবে। আমি বলবঃ হে পরওয়ারদিগার!

উম্মাতী, উম্মাতী, ("আমার উম্মত, আমার উম্মত")। আমাকে বলা হবে, যান, যে ব্যক্তির অন্তরে সরিষার দানার চেয়েও আরো কম পরিমাণ ঈমান পাবেন তাকেও জাহান্নাম থেকে মুক্ত করুন। এরপর আমি যাব এবং তাদের উদ্ধার করে আনব।

বর্ণনাকারী বলেন, আনাস (রাযিঃ) এ পর্যন্ত আমাদেরকে বলেছেন। এরপর আমরা সেখান থেকে বের হয়ে পথ চলতে শুরু করলাম। এভাবে আমরা যখন "জাব্বান" এলাকায় পৌছলাম, তখন নিজেরা বললাম, আমরা যদি হাসান বাসরীর সাথে সাক্ষাৎ করতাম এবং তাকে সালাম পেশ করতাম তবে কতই না ভাল হত। সে সময় তিনি আবূ খলীফার ঘরে (হাজ্জাজ বিন ইউসুফের ভয়ে) আত্মগোপন করেছিলেন।

আমরা তার বাড়িতে গেলাম এবং তাকে সালাম পেশ করলাম। আমরা তাকে বললাম, আবূ সাঈদ। আমরা আপনার ভাই আবূ হামযার দরবার থেকে আসছি। আজ তিনি আমাদেরকে শাফা’আত সম্পর্কে এমন একটি হাদীস শুনিয়েছেন, যা আর কখনো শুনিনি।

তিনি বললেন, আচ্ছা শোনাও তো? তখন আমরা তাকে হাদীসটি শুনালাম। তারপর তিনি বললেন, আরও বলো। আমরা বললাম, এর চেয়ে বেশি কিছু তো আনাস (রাযিঃ) বর্ণনা করেননি। তখন তিনি বললেন, অথচ আনাস (রাযিঃ) আমাদের নিকট আজ থেকে বিশ বছর পূর্বে যখন তিনি সুস্থ সবল ছিলেন তখন এ হাদীসটি শুনিয়েছেন। কিন্তু আজ তিনি তোমাদের নিকট কিছু ছেড়ে দিয়েছেন।

জানি না, তিনি তা ভুলে গেছেন, না তোমরা এর উপর ভরসা করে আমলের ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করবে আশংকায় তিনি তা বর্ণনা করাটা পছন্দ করেননি। আমরা বললাম, আমাদের তা বর্ণনা করুন।

তিনি ঈষৎ হেসে উত্তর করলেন "মানুষকে তাড়াহুড়া করার প্রকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে"- (সূরাহ আল আম্বিয়াহ ২১ঃ ৩৭)। তোমাদেরকে তা বর্ণনা করব বলেই তো এর উল্লেখ করলাম। তারপর তিনি হাদীসটির অবশিষ্ট অংশ এরূপ বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এরপর আমি পুনরায় আমার পরওয়ারদিগারের কাছে ফিরে আসব এবং চতুর্থবারও উক্তরূপ প্রশংসাসূচক বাক্যে তার প্রশংসা করব।

এরপর আমি সাজদায় লুটিয়ে পরব। আমাকে বলা হবে, হে মুহাম্মাদ! আপনার মাথা তুলুন, আপনি বলুন, আপনার কথা শুনা হবে; প্রার্থনা করুন তা কবুল করা হবে; সুপারিশ করুন, আপনার সুপারিশ গৃহীত হবে। আমি বলব, হে পরওয়ারদিগার! আমাকে সেসব মানুষের জন্য অনুমতি দিন যারা "আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই” এ কথা স্বীকার করে। আল্লাহ বলবেন, না; এটা আপনার দায়িত্বে নয়।

বরং আমার ইজ্জত, প্রতিপত্তি, মহত্ত্ব ও পরাক্রমশীলতার কসম! আমি নিজেই অবশ্য ওদের জাহান্নাম হতে মুক্তি দিব যারা এ কথার স্বীকৃতি দিয়েছে যে, "আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।"

হাদীসটি শেষ করে বর্ণনাকারী বলেন, আমি এ কথার সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হাসান আমাদেরকে হাদীসটি আনাস (রাযিঃ) থেকে শুনেছেন বলে বর্ণনা করেছেন। অবশ্য আমার বিশ্বাস তিনি এ কথা বলেছেন যে, বিশ বছর পূর্বে যখন তিনি পূর্ণ সুস্থ সবল ছিলেন।

معبد بن ہلال عنزی نے کہا : ہم لوگ انس بن مالک ‌رضی ‌اللہ ‌عنہ ‌ ‌ کے پاس گئے اور ثابت ( البنانی ) کو اپنا سفارشی بنایا ( ان کے ذریعے سے ملاقات کی اجازت حاصل کی ۔ ) ہم ان کے ہاں پہنچے تو وہ چاشت کی نماز پڑھ رہے تھے ۔ ثابت نے ہمارے لیے ( اندر آنے کی ) اجازت لی ۔

ہم اندر ان کے سامنے حاضر ہوئے ۔ انہوں نے ثابت کو اپنے ساتھ اپنی چارپائی پر بٹھالیا ۔ ثابت نے ان سے کہا : اے ابوحمزہ! بصرہ کےباشندوں میں سے آپ کو ( یہ ) بھائی آپ سے درخواست کرتے ہیں کہ آپ انہیں شفاعت کی حدیث سنائیں ۔

حضرت انس ‌رضی ‌اللہ ‌عنہ ‌ ‌ نے کہا : ہمیں حضرت محمدﷺ نے بتایا : ’’ جب قیامت کا دن ہو گا تولوگ موجوں کی طرح ایک دوسرے سے ٹکرا رہے ہوں گے ۔ وہ آدم علیہ السلام کے پاس آئیں گے اور ان سے عرض کریں گے : اپنی اولاد کے حق میں سفارش کیجیے ( کہ وہ میدان حشر کے مصائب اور جاں گسل انتظار سے نجات پائیں ۔ ) وہ کہیں گے : میں اس کے لیے نہیں ہوں ۔

لیکن تم ابراہیم علیہ السلام کا دامن تھام لو کیونکہ وہ اللہ تعالیٰ کے خلیل ( خالص دوست ) ہیں ۔ لوگ ابراہیم علیہ السلام کے پاس جائیں گے ۔

وہ جواب دیں گے : میں اس کے لیےنہیں ۔ لیکن تم موسیٰ علیہ السلام کے پاس پہنچ جاؤ وہ کلیم اللہ ہیں ( جن سے اللہ نے براہ راست کلام کیا ) تو موسیٰ علیہ السلام کے پاس حاضری ہو گی ۔ وہ فرمائیں گے : میں اس کے لیے نہیں ۔ لیکن تم عیسیٰ ‌رضی ‌اللہ ‌عنہ ‌ ‌ کےساتھ لگ جاؤ کیونکہ وہ اللہ کی روح اور اس کا کلمہ ہیں ۔

تو عیسیٰ ‌علیہ ‌السلام ‌ کے پاس آمد ہو گی ، وہ فرمائیں گے : میں اس کے لیے نہیں ۔ لیکن تم محمدﷺ کے پاس پہنچ جاؤ ، تو ( ان کی ) آمد میرے پاس ہو گی ۔

میں جواب دوں گا : اس ( کام ) کے لیے میں ہوں ۔ میں چل پڑوں گا اور اپنے رب کے سامنے حاضری کی اجازت چاہوں گا ، مجھے اجازت عطا کی جائے گی ، اس میں اس کے سامنے کھڑا ہوں گا اور تعریف کی ایسی باتوں کے ساتھ اس کی حمد کروں گا جس پر میں اب میں قادر نہیں ہوں ، اللہ تعالیٰ ہی یہ ( حمد ) میرے دل میں ڈالے گا ، پھر میں اس کے حضور سجدے میں گر جاؤں گا ، پھر مجھ سے کہا جائے گا : اے محمد!

اپنا سراٹھائیں اور کہیں ، آپ کی بات سنی جائے گی ، مانگیں ، آپ کو دیا جائے گا اور سفارش کریں ، آپ کی سفارش قبول کی جائے گی ۔ میں عرض کروں گا : اے میرے رب ! میری امت ! ، میری امت!

تو مجھ سے کہاجائے گا : جائیں جس کےدل میں گندم یا جو کے دانے کے برابر ایمان ہے اسے نکال لیں ، میں جاؤں گا اور ایسا کروں گا ، پھر میں اپنے رب تعالیٰ کے حضور لوٹ آؤں گا اور حمد کے انہی اسلوبوں سے اس کی تعریف بیان کروں گا ، پھر اس کے سامنے سجدے میں گر جاؤں گا تو مجھے کہا جائے گا : اے محمد!

اپنا سر اٹھائیں اور کہیں ، آپ کی بات سنی جائے گی اور مانگیں ، آپ کو دیا جائے گا اور سفارش کریں ، آپ کی سفارش قبول ہو گی ۔ میں عرض کروں گا : اے میرے رب ! میری امت ! میری امت!

مجھے کہا جائے گا : جائیں ، جس کے دل میں رائی کے دانے کے برابر ایمان ہو ، اسے نکال لیں ۔ تو میں جاؤں گا اور ایسا کروں گا ، پھراپنے رب کے حضور لوٹ آؤں گا اور اس جیسی تعریف سے اس کی حمد کروں گا ، پھر اس کے سامنے سجدے میں گر جاؤں گا ۔

تو مجھ سے کہا جائے گا : اے محمد ! ا پنا سر اٹھائیں ، کہیں ، آپ کی بات سنی جائے گی اور مانگیں ، آپ کو دیا جائے گا اور سفارش کریں ، آپ کی سفارش قبول ہو گی ۔ تو میں کہوں گا : اے میرے رب ! میری امت !

میری امت !تو مجھ سے کہا جائے گا : جائیں ، جس کے دل میں رائی کے دانے سے کم ، اس سے ( بھی ) کم ، اس سے ( اور بھی ) کم ایمان ہو اسے آگ سے نکال لیں تو میں جاؤں گا اور ایسا کروں گا ۔

‘ ‘ یہ حضرت انس کی روایت ہے جو انہوں نے ہمیں بیان کی ۔ ( معبدی بن ہلال عنزی نے ) کہا : چنانچہ ہم ان کے ہاں سے نکل آئے ، جب ہم چٹیل میدان کے بالائی حصے پر پہنچے تو ہم نے کہا : ( کیا ہی اچھاہو ) اگر ہم حسن بصری کا رخ کریں اور انہیں سلام کرتے جائیں ۔

وہ ( حجاج بن یوسف کے ڈر سے ) ابو خلیفہ کے گھر میں چھپے ہوئے تھے ۔ انہوں نےکہا : جب ہم ان کے پاس پہنچے تو انہیں سلام کیا ۔

ہم نے کہا : جناب ابوسعید! ہم آپ کے بھائی ابو حمزہ ( حضرت انس ‌رضی ‌اللہ ‌عنہ ‌ ‌ کی کنیت ہے ) کے پاس سے آرہے ہیں ۔ ہم نے کبھی اس جیسی حدیث نہیں سنی جو انہوں شفاعت کے بارے میں ہمیں سنائی ۔

حسن بصری نے کہا : لائیں سنائیں ۔ ہم نے انہیں حدیث سنائی تو انہوں نے کہا : آگے سنائیں ۔ ہم نے کہا : انہوں نےہمیں اس سے زیادہ نہیں سنایا ۔

انہوں ( حسن بصری ) نے کہا : ہمیں انہوں نے یہ حدیث بیس برس پہلے سنائی تھی ، اس وقت وہ پوری قوتوں کے مالک تھے ۔ انہوں نے کچھ حصہ چھوڑ دیا ہے ، معلوم نہیں ، شیخ بھول گئے یا انہوں نے تمہیں پوری حدیث سنانا پسند نہیں کیا کہ کہیں تم ( اس میں بیان کی ہوئی بات ہی پر ) بھروسا نہ کر لو ۔

ہم نےعرض کی : آپ ہمیں سنا دیں تو وہ ہنس پڑے اور کہا : انسان جلدباز پیدا کیاگیا ہے ، میں نے تمہارے سامنے اس بات کا تذکرہ اس کے سوا ( اور کسی وجہ سے ) نہیں کیا تھا مگر اس لیے کہ میں تمہیں یہ حدیث سنانا چاہتا تھا ۔ آپﷺ نے فرمایا : ’’پھر میں چوتھی بار اپنے رب کی طرف لوٹوں گا ، پھر انہی تعریفوں سے اس کی حمد بیان کروں گا ، پھر اس حضور سجدہ ریز ہو جاؤں گا تو مجھ سے کہا جائے گا : اے محمد!

اپنا سر اٹھائیں اور کہیں ، آپ کی بات سنی جائے گی اور مانگیں ، آپ کو دیاجائے گااور سفارش کریں آپ کی سفارش قبول ہو گی ۔ تو میں عرض کروں گا : اے میرے رب ! مجھے ان کےبارے میں ( بھی ) اجازت دیجیے جنہوں نے ( صرف ) لا الہ الا اللہ کہا ۔ اللہ فرمائے گا : یہ آپ کے لیے نہیں لیکن میری عزت کی قسم ، میری کبریائی ، میری عظمت اور میری بڑائی کی قسم !

میں ان کو ( بھی ) جہنم سے نکال لوں گا جنہوں نے لا الہ الا اللہ کہا ۔ ‘ ‘ معبد کا بیان ہے : میں حسن بصری کے بارے میں گواہی دیتا ہوں کہ انہوں نے ہمیں بتایا کہ انہوں نے حضرت انس بن مالک ‌رضی ‌اللہ ‌عنہ ‌ ‌ سے یہ روایت سنی ۔

میرا خیال ہے ، انہوں نے کہا : بیس سال پہلے ، اور اس وقت ان کی صلاحتیں بھر پور تھیں ۔

Telah menceritakan kepada kami [Abu ar-Rabi' al-'Ataki] telah menceritakan kepada kami [Hammad bin Zaid] telah menceritakan kepada kami [Ma'bad bin Hilal al-'Anazi] -pada jalur lain, telah menceritakan kepada kami [Sa'id bin Manshur] lafad ini adalah darinya, telah menceritakan kepada kami [Hammad bin Zaid] telah menceritakan kepada kami [Ma'bad bin Hilal al-'Anazi] dia berkata, "Kami pergi menemui [Anas bin Malik], dan kami meminta pertolongan kepada Tsabit, saat sampai di sana ternyata ia sedang melaksanakan shalat dluha.

Lalu Tsabit memintakan izin kepada kami sehingga kami pun masuk menemuinya. Anas lalu mengajak Tsabit duduk di tempatnya duduk, kemudian Tsabit berkata kepada Anas, "Wahai Abu Hamzah, sesungguhnya saudara-saudaramu dari penduduk Bashrah meminta kepadamu agar kamu menceritakan kepada mereka tentang hadits syafa'at.'

Anas lalu berkata, "Muhammad shallallahu 'alaihi wasallam telah menceritakan hadits kepada kami, beliau mengatakan: 'Apabila hari kiamat datang, maka manusia berdesak-desakan sebagian dengan sebagian yang lain, lalu mereka mendatangi Adam seraya berkata kepadanya, 'Berilah syafa'at untuk anak-anakmu'.

Lalu dia berkata, 'Aku bukan orang yang memiliki hak untuk memberi syafa'at, akan tetapi hendaklah kalian mendatangi Ibrahim Alaihissalam, karena dia adalah kekasih ar-Rahman.'

Lalu mereka mendatangi Ibrahim, maka dia pun menjawab, 'Aku bukan orang yang memiliki hak untuk memberi syafa'at, akan tetapi hendaklah kalian mendatangi Musa Alaihissalam, karena ia adalah Kalimullah.'

Lalu Musa didatangi, maka dia pun menjawab, 'Aku bukan orang yang memiliki hak untuk memberi syafa'at, akan tetapi hendaklah kalian mendatangi Isa Alaihissalam, karena dia adalah ruh Allah dan Kalimat-Nya.

Lalu Isa didatangi, maka dia pun menjawab, 'Aku bukan orang yang memiliki hak untuk memberi syafa'at, akan tetapi hendaklah kalian mendatangi Muhammad shallallahu 'alaihi wasallam'. Lalu Muhammad didatangi.

Lalu aku berkata, 'Aku adalah orang yang memiliki hak untuk memberi syafa'at, lalu aku pergi bertolak meminta izin kepada Rabbku, lalu diizinkanlah kepadaku untuk menghadap. Aku berdiri di hadapan-Nya, lalu memuji-Nya dengan pujian yang mana aku tidak tidak mampu mengucapkannya sekarang. Allah telah memberikan ilham kepadaku. Kemudian aku menyungkur sujud kepada-Nya.

Lalu dikatakanlah kepadaku: 'Wahai Muhammad, angkatlah kepalamu, dan berkatalah niscaya kamu didengar, mintalah niscaya kamu diberi, mintalah syafa'at niscaya kamu diberi.'

Lalu aku berkata, 'Wahai Rabbku, umatku-umatku.' Lalu dikatakanlah, 'Pergilah. Barangsiapa yang di dalam hatinya ada seberat biji gandum atau jewawut dari iman, maka keluarkanlah dia dari neraka! ' Maka aku bertolak pergi dan melakukan perintah-Nya, kemudian kembali menemui Rabbku. Lalu aku memujinya dengan puji-pujian tersebut, kemudian aku menyungkur bersujud kepada-Nya.

Lalu dikatakan kepadaku: 'Wahai Muhammad, angkatlah kepalamu, dan berkatalah niscaya kamu didengar, mintalah niscaya kamu diberi, mintalah syafa'at niscaya kamu diberi.'

Maka aku berkata, 'Umatku, umatku.' Lalu dikatakanlah kepadaku: 'Pergilah, barangsiapa yang di dalam hatinya ada seberat biji atom dari iman, maka keluarkanlah dia dari nereka.' Lalu aku bertolak pergi dan melakukan perintah-Nya, kemudian aku kembali kepada Rabbku, lalu aku memujinya dengan puji-pujian tersebut, kemudian aku menyungkur bersujud kepada-Nya.

Maka dikatakan kepadaku: 'Wahai Muhammad, angkatlah kepalamu, dan berkatalah niscaya kamu didengar, mintalah niscaya kamu diberi, mintalah syafa'at niscaya kamu diberi.'

Maka aku berkata, 'Wahai Rabbku, (selamatkanlah) umatku, umatku.' Lalu dikatakanlah kepadaku: 'Pergilah. Barangsiapa yang di hatinya ada sekecil-kecilnya dari sebiji atom iman, maka keluarkanlah dia dari nereka.' Lalu aku bertolak pergi untuk mengerjakan perintah-Nya'." Ini hadits Anas yang mana dia memberitakannya kepada kami. Lalu kami keluar dari sisinya, ketika kami di atas kuburan, maka kami berkata, 'Kalau seandainya kita kembali lurus pada (pendapat) al-Hasan (al-Bashri), lalu kita mengucapkan salam kepadanya sedangkan dia bersembunyi di rumah Abu Khalifah (maka itu lebih selamat) '.

Dia berkata lagi, 'Lalu kami mengunjunginya, lalu kami mengucapkan salam kepadanya. Kami berkata, 'Wahai Abu Sa'id, kami datang dari sisi saudaramu, Abu Hamzah, kami belum pernah mendengar semisal hadits yang dia ceritakan kepada kami tentang syafa'at.'

Abu Sa'id berkata, 'Apa itu (ceritakanlah kepadaku) '. Lalu kami menceritakan hadits tersebut kepadanya. Maka Abu Sa'id pun berkata, 'Tambahkanlah.' Kami berkata, 'Dia tidak menambahkan apa-apa kepada kami.'

Abu Sa'id lalu berkata, 'Dia telah menceritakan kepada kami dua puluh tahun silam, dan dia ketika itu mengumpulkan semua riwayatnya, dan dia telah meninggalkan sebagian. Saya tidak mengetahui apakah syaikh (Anas/Abu Hamzah) telah lupa atau membenci untuk menceritakannya kepada kalian sehingga kalian bergantung kepadaku.'

Kami pun berkata, 'Ceritakanlah kepada kami.' Maka Abu Sa'id tertawa seraya membaca: '(Manusia diciptakan (bertabiat) tergesa-gesa) (Qs. Al Anbiya: 37). Tidaklah saya menyebutkan ayat ini kepada kalian melainkan karena saya berkeinginan untuk menceritakannya kepada kalian (hadits tersebut adalah): 'Kemudian aku kembali kepada Rabbku pada keempat kalinya, lalu aku memuji-Nya dengan puji-pujian tersebut, kemudian aku menyungkur sujud.

Kemudian dikatakan kepadaku: 'Wahai Muhammad, angkatkan kepalamu, dan berkatalah niscaya kamu didengar, mintalah niscaya kamu diberi, mintalah syafa'at niscaya kamu diberi.'

Maka aku berkata, 'Wahai Rabbku, berikanlah izin kepadaku untuk (mengeluarkan dari neraka) orang yang mengucapkan, 'Laa Ilaaha Ilaahu (Tidak ada tuhan (yang berhak disembah) melainkan Allah) '.

Allah menjawab: 'Itu bukan hakmu, ' atau 'itu bukan hak yang diberikan kepadamu, akan tetapi demi Keperkasaan-Ku, Kebesaran-Ku, Keagungan-Ku, dan Kekuasaan-Ku, sungguh Aku akan mengeluarkan orang yang mengucapkan, 'Laa Ilaaha Ilaahu (Tidak ada tuhan (yang berhak disembah) selian Allah) '.

Perawi berkata, 'Lalu aku bersaksi atas nama [al-Hasan], bahwa dia telah menceritakannya kepada kami bahwa dia mendengar [Anas bin Malik]. Aku menduga Abu Sa'id berkata, 'Sebelum dua puluh tahun, dan pada waktu itu dia mengumpulkan semua riwayatnya

Bize Ebu'r-Rabl' el-Ateki tahdis etti. Bize Hammad b. Zeyd tahdis etti. Bize Mabed b. Hilal el-Anezi tahdis etti. (H) Bize Said b. Mansur -ki lafız onundur- de tahdis etti. Bize Hammad b. Zeyd tahdis etti. Bize Mabed b.

Hilal el-Anezi tahdis edip dedi ki: Enes b. Malik'in yanına gittik. Bizi onunla görüştürmek için de Sabit'in iltimasta bulunmasını istedik. Onun yanına gittiğimizde kuşluk namazını kılıyordu. Sabit bizim için izin istedi. Sonra Enes'in yanına girdik. Sabit'i kendisi ile birlikte kanepesine oturttu. Sabit ona: Ey Ebu Hamza, senin Basralı kardeşlerin yanına kendilerine şefaat hadisini nakletmeni istemek üzere geldiler.

Enes dedi ki: Bize Muhammed (Sallallahu aleyhi ve Sellem) tahdis edip dedi ki (3/21a): "Kıyamet gününde insanlar birbirine dalgalar gibi girecekler. Sonra Adem'in yanına gelerek ona, çocuklann için şefaat et, diyecekler, o: Ben bu işin ehli değilim ama ben size İbrahim (aleyhisselam)', tavsiye ederim; çünkü o Allah'ın hali/idir diyecek, onlar da İbrahim'in yanına gidecekler.

İbrahim de: Ben bu işin ehli değilim ama ben size Musa {aleyhisselam)'ı tavsiye ederim; çünkü o kelfmullahtır diyecek. Bu sefer Musa (aleyhisselam)'ın yanına gidilecek, o da ben bu işin ehli değilim ama ben size İsa (aleyhisselam)'ı tavsiye ederim; çünkü o Allah'ın ruhu ve kelimesidir diyecek. Bunun üzerine İsa'ya gidilecek, o da: Ben bu işin ehli değilim ama ben size Muhammed (Sallallahu aleyhi ve Sellem)'in yanına gitmenizi tavsiye ederim diyecek.

Bunun üzerine bana gelinecek, ben de: Evet, bu işi yapacak olan benim diyeceğim, sonra kalkıp gidecek ve Rabbimin huzuruna çıkmak için izin isteyeceğim. Bana izin verilecek, onun huzurunda ayakta duracağım. Allah'ın bana (o zaman) ilham edeceği ama şimdi söyleyebilecek durumda olmadığım hamd ve senalarla ona hamd ve senada bulunacağım sonra da onun için secdeye varacağım.

Bana: Ey Muhammed başını kaldır, söyle sözün dinlenecek, dile (dileğin) sana verilecek, şefaat et, şefaatin kabul buyurulacak, denilecek. Ben de: Rabbim ümmetimi (dilerim), ümmetimi, diyeceğim. Bunun üzerine şöyle denilecek: Git ve kalbinde iman adına bir buğday yahut bir arpa tanesi ağırlığınca bulunan herkesi oradan çıkart. Ben de gidip bana denileni yapacağım sonra Rabbimin huzuruna döneceğim, daha önce yaptığım o hamd ve övgüler ile yine ona hamd edeceğim sonra da onun için secdeye kapanacağım.

Bana: Ey Muhammed başını kaldır söyle sözün dinlenecek, dile sana (dileğin) verilecek, şefaat et şefaatin kabulolunacak buyurulacak. Ben de: Rabbim ümmetimi (dilerim) ümmetimi, diyeceğim. Bana: Git, kalbinde iman adına hardal tanesi ağırlığınca bulunan kim varsa onu oradan çıkar buyurulacak. Ben de gidip bunu yapacağım. Sonra yine Rabbime dönecek, ona o hamd ve senalarla hamd ve senada bulunacağım sonra onun için secdeye varacağım, bana: Ey Muhammed, başını kaldır söyle sözün dinlenecek, dile sana (isteğin) verilecek, şefaat et şefaatin kabulolunacak buyurulacak.

Ben de: Rabbim ümmetimi (dilerim) ümmetimi, diyeceğim. Bana: Git, kalbinde iman adına hardal tanesi ağırlığından daha az, daha az, daha az olan kimseleri cehennem ateşinden çıkart buyurulacak, ben de gidip •bunu yapacagım. İşte bu Enes'in bize bildirdiği hadistir. Sonra onun yanından çıktık. Zahr el-Cebban {denilen sahranın yüksek bir yerinie vardığımızda {birbirimize }: Hasan'ın yanına gidip de ona selam versek dedik.

O sırada kendisi Ebu Halife'nin evinde gizleniyordu. Yanına girdik, ona selam verdik. Ey Ebu Said bizler kardeşin Ebu Hamza'nın yanından geliyoruz, şefaate dair bize naklettiği hadisin benzerini hiç duymamıştık, dedik.

O: Onu bana söyleyin dedi, biz de ona hadisi naklettik. Devam edin dedi, biz bundan fazlasını bize söylemedi, dedik. O şöyle dedi: Bize bu hadisi yirmi sene önce tahdis etmişti. O sırada kendisi gücü kuweti ve hafızası yerinde birisi idi ama {size rivayetinde} bir şeyler terk etmiş bulunuyor. Üstadımız unuttu mu yoksa size onu da anlatıp ona bel bağlayacağınızdan mı korktu ?

Bilemiyorum. Biz kendisine: {O halde} sen bize tahdis et dedik, güldü ve şöyle dedi: İnsan aceleden yaratılmıştır. Ben bunu size ancak onu tahdis etmek istediğim için söyledim dedi (ve şöyle devam etti): "Sonra dördüncü defa da Rabbime döneceğim. Ona o şekildeki hamd ve senalarla hamd ve senada bulunacağım sonra onun için secdeye varacağım.

Bana: Ey Muhammed başını kaldır, söyle sözün dinlenecek, dile sana verilecek, şefaat et, şefaatin kabulolunacak buyurulacak. Ben de: Rabbim La ilahe illallah demiş bulunan kimseler hakkında bana izin ver diyeceğim, şöyle buyuracak: Bu senin işin değildir -ya da bu sana ait değildir, dedi- ama izzetim, kibriyom, azametim ve cibriyam için yemin ederim ki la ilahe illallah demiş kimseleri mutlaka oradan çıkartacağım."

Ravi (Ma'bed) dedi ki: Ben Hasan hakkında şahirlik ederim ki, o bize bunu tahdis edip, Enes b. Malik'ten dinlemiş olduğunu söyledi. Zannederim yirmi sene önce o henüz gücü, kuweti ve hafızası yerinde iken (rivayet etmişti), dedi. Diğer tahric: Buhari, 7510; Tuhfetu'l-Eşraf, 523, 1599 NEVEVİ ŞETRHİ {475-478 numaralı hadisler}: (475) Müslim'in senedierde: "Bize Muhammed b.

el-Müsennave Muhammed b. Beşşar tahdis edip dediler ki ... Enes'ten;" (476) "Bize Muhammed b. el-Müsenna da tahdis etti. .. Enes'ten;" (477) "Bize Muhammed b. Minhal ed-Darir de tahdis etti. .. Enes b. Malik'ten;" (478) "Bize Ebu'r-Rabi el-Atekı tahdis etti. .. Bize Mabed b. Hilal el-Anezı tahdis etti." Diye naklettiği rivayetlerinde, Yani Enes'ten gelen bütün bu senetlerin ravileri tamamen Basralıdır.

(3/59) Bu durum son derece güzel ve oldukça nadir görülür bir haldir. Kastettiğim ise Müslim'in sahihindeki hepsi Basralı olan arka arkaya gelen bu beş senedin arasındaki uygunluktur. Bizi doğruya ilettiğinden ötürü de Allah'a hamdolsun. İbn Adiy'in adı, Muhammed b. İbrahim b. Adiy'dir. Said b. Ebu Arube'nin adının hadis kitaplarında ve başkalarında bu şekilde rivayet edilmiş olduğunu daha önceden söylemiştik.

Yine önceden belirttiğimiz üzere İbn Kuteybe,EdEbu'I-Katib adlı eserinde şöyle demiştir: Doğrusu İbn Ebu'l-fuube'dir. Ebu Arube'nin adı da Mihran'dır. Yine önceden kaydettiğimiz üzere, Said b. Ebu Arube ömrünün son zamanlarında hafızası karışmış kimselerden birisidir. Hafızası karışmış olan bir kimsenin ise hafızası karışmış olduğu dönemdeki rivayeti delil gösterilmez.

Onun bu hadisi hafızası karışmış olduğu dönemde mi yoksa sağlıklı iken mi rivayet ettiği hususunda şüphe etsek dahi yine önceden belirttiği gibi Buhari ve Müslim'in sahihlerinde hafızası karışmış olanlardan nakledilmiş olan rivayetler, kitap sahibinin ravinin hafızası karışmadanönce o rivayeti nakletmiş olduğunu bildiği şeklinde yorumlanacağını da belirtmiştik.

Allah en iyi bilendir. ed-Desteval'nin arkadaşı olan Hişam'a gelince, hadis kitaplarında meşhur olan dal harfinin fethalı olarak okunduğudur. Metalib sahibi ise şöyle demektedir: Kimisi bu nispete elif ile ye arasına nun eklemektedir (Destevanı olur). Desteva denilen yere nispettir. Burası Ehvaz'ın verimi bol köy ve yerleşim bölgelerinin bulunduğu bir yerdir.

Kendisi oradan getirilen elbiseleri sattığından ötürü oraya nispet edilerek Hişam ed-Destevaı denilir. Desteval'nin sahibi (arkadaşı) Hişam ise ed-Destevaı türü kumaşların sahibi demektir. Müslim namaz bölümünün baş taraflarında ondan başka bir ifade ile söz etmiş ve bundan dolayı bir karışıklık olduğu vehmini uyandırmıştır. Ezanın nasıl okunacağı babında da: Bana Ebu Gassan ve İshak b.

İbrahim tahdis etti. İshak dedi ki: Bize Destevaı'nin arkadaşı Muaz b. Hişam haber verdi demektedir. Bundan dolayı Metali' sahibi yanılarak (3/60): "Destevaı'nin arkadaşı" ifadesindeki "arkadaş" anlamındaki "sahip" kelimesinin merfu olduğunu ve Muaz'ın sıfatı olduğunu zannederek, "Destevaı'nin sahibi (arkadaşı), onun oğludur, denilir demektedir.

Ancak Metilli' sahibinin bu söylediğinin hiçbir kıymeti yoktur. Buradaki "sahip: arkadaş" kelimesi Hişam'ın sıfatı olarak mecrurdur. Nitekim bizim şu anda bulunduğumuz bu yerde açıkça ifade edildiği gibi. Allah en iyi bilendir. Ebu Gassan el-Mismai ile ilgili açıklama daha önce defalarca geçti ve yine bunun "Gassan isminin" munsarıf olarak okunabildiği gibi, gayr-ı munsarıf olarak kabul edilebileceği de belirtilmiş idi.

el-Mismai ise kabilenin atası olan Misma'a nispettir. "Bize Muaz -ki o İbn Hişam'dır- tahdis etti." Baş taraflardaki fasıllarda ve daha başka birçok yerde buna dair açıklama geçmiş bulunmaktadır. Böyle demesinin faydası ise "ki o İbn Hişam' dır" ifadesinin rivayette yer almadığından ötırü buna açıklık getirmek istemiş olmasıdır.

Kendisi (Müslim) ise Muaz b. Hişam demeyi caiz görmemektedir. Buna sebep ise rivayette böyle denilmemiş olmasıdır. Bundan dolayı o rivayette "ki o İbn Hişam' dır" demiştir. Bu ve benzeri çokça tekrar ettiğim hususlardan maksadım ise açıklamak ve kolaylık sağlamaktaki duyarlılığımdır. Çünkü aradan uzun bir süre geçince unutulabilir ve bazı hallerde daha önce geçtiği yerden haberi olmayan bir kimse burayı görebilir.

Allah en iyi bilendir. "Ebu Rabi' el-Ateki" adındaki ravi Müslim'in çok yerde tekrar ettiği Ebu'r-Rabi' ez-Zehrani'nin kendisidir. Adı Süleyman b. Davud'dur. Kadı lyaz der ki: Bazen onun nispetini Zehrani, bazen Ateki diye zikretmiş, bazen de onun her iki nesebini bir arada sözkonusu etmiştir. Fakat bu iki nesep hiçbir şekilde bir arada olmaz; çünkü her ikisi de Ezdlilere racidir.

Bunları bir arada zikretmek için caiz olmaları yahut birbirlerinin halefi olmaları dışında bir sebeple olmaz. Allah en iyi bilendir. "Kalbinde hayır adına zerre ağırlığı kadar bir şey bulunan" Zerreden maksat bilinen küçük karınca türü olan hayvandır.

"Şu' be ise "zerre" yerine zura kelimesini kullanmıştır." Yani o bu kelimeyi zel harfi ötreli, re harfi de şeddesiz olarak rivayet etmiştir. Ancak ilim adamları onun bu şekildeki rivayetinin tashif olduğunu ittifakla kabul etmişlerdir. İşte Müslim'in kitabındaki: "Yezid: Bunda Ebu Bistam tashif yapmıştır" demesinin anlamı budur ki, kastettiği de Şu'be'dir.

"Onun huzuruna girdik, Sabit'i kendisiyle birlikte kanepesine oturttu" ifadesinden anlaşıldığına göre, ilim adamının ve meclisteki büyük zatın kendisinin yanına gelen fazilet erbabına ikramda bulunmasının ve oturttuğu yer ve daha başka hususlarda onlara daha çok ikram etmesinin gerektiği anlaşılmaktadır.

"Şu kardeşlerin Basra halkındandır." Kitabın baş taraflannda "Basra" lafzının be harfi fethalı, ötreli ve kesralı olarak (Basra, Busra ve Bisra şekillerinde) okunduğu ama meşhur olanın da fethalı (Basra) söyleyişin olduğunu belirtmiş bulunmaktayız.

"Şu anda gücümün yetmediği. .. hamd ve senalarla ona hamd ve sena ederim." Asıl nüshalarda bu şekilde "gücümün yetmediği" şeklindedir ve doğrudur. (3/61) Zamir bizzat Allah Resulüne aittir. Hamd ve senaya değildir.

"Git, kalbinde iman namına buğday yahut arpa tanesi ağırlığınca bulunan kimseleri çıkart denilir ... " Bundan sonra da: "Git, kalbinde iman adına hardal tanesi ağırlığınca bulunan kimseleri çıkart denilir." Sonra da: "Bana: Git, kalbinde iman adına hardal tanesi ağırlığından daha az, daha az, daha az bulunanı çıkart denilir.

" (3/62) İkinci ve üçüncü şekilde asıl nüshalar bende onu çıkarlınm anlamında tekil zam ir olarak zikredilmiştir. Birincisinde ise bazı nüshalarda zikrettiğimiz üzere çoğullafzı ile 'onu çıkartınız" anlamında, bazı nüshalarda ise 'onu çıkart" şeklinde, çoğunda ise sonunda zamir gelmeksizin "çıkartınız" anlamındadır. Hepsi de doğrudur.

Bunu 'onu çıkartın" diye rivayet edenlerin bu rivayetinde hitap Nebi (Sallallahu aleyhi ve Sellem) ile onunla birlikte bulunan melekleredir. Sondaki zamiri hazfedenlerin rivayetine gelince; bu zamir mef'ul (tümleç) zamiridir. Bu ise hazfedilmesi çokça görülen bir fazladır. (Yani cümle yapısının asıl unsuru değildir.) Allah en iyi bilendir.

"Daha az, daha az, daha az"a gelince, bu da asıl nüshalarda bu şekilde üç defa tekrar edilmiştir. Hadis-i şerifte imanın artıp, eksildiğini kabul eden selef, ehl-i sünnet ve onlara uygun kanaat belirten kelamcıların görüşlerinin lehine bir delalet bulunmaktadır. Kitap ve sünnetle bunun benzerleri de pek çoktur. Bizler de iman bölümünün baş taraflannda bu kaideyi açıklamış ve bu buyruklar ile ilgili mezhepleri ve bunların bir arada nasıl anlaşılacağına dair açıklamalan yapmış bulunmaktayız.

Allah en iyi bilendir. "İşte bu Enes'in bize haber verdiği hadisidir ... Dedi ki: Ben Hasan'a onun bize bu hadisi tahdis edip ... dediğine şahitlik ederim." Bu rivayet ve açıklamalardan çıkartılacak pek çok hüküm ve sonuç vardır. Bundan dolayı ben de hadisin metnini onu mutalaa edenin maksatlarını bilmesi için lafzıyla uzun uzadıya naklettim.

"Zahru'l-Cebban" Cebban ve Cebbane, sahra demektir. Mezarlıklar da sahrada yapıldığından ötürü kabristana da bu isim verilir. Bu da bir şeye bulunduğu yerin adının verilmesi türündendir. Zahru cebban sahranın yüksekçe yeri, üst tarafı anlamındadır.

"el-Hasan'ın yanına gittik." Sözü geçen Hasan-ı Basri'dir. "O sırada saklanıyordu." Yani Haccac b. Yusuf'tan korktuğundan ötürü saklı idi. "Onu bana söyleyin, dedi." Dilciler, daha fazla anlatılmasını istemek maksadıyla "ıhi" ve "hıhi" denildiğini söylerler.

Cevherı dedi ki: İhi, fiile ad olan bir isimdir. Çünkü bu, bir kimsenin sözlerini devam ettirmesini yahut işini sürdürmesini istediğiniz zaman emretmek maksadıyla bunu söylersiniz. İbnu's-Sirrı der ki: Bu lafız kullanıldığı zaman muhatabına ikinizin bildiği sözü devam ettirmesini emretmiş olursunuz. Ona haydi onu anlat demiş gibi olursun.

Eğer tenvinli olarak "ihen" diyecek olursanız her ne olursa olsun bir şey anlat demiş gibi olursunuz. Çünkü tenvin nekrelik (belirsizlik) ifade eder. Eğer bunu (ih) şeklinde sakin olarak söyleyecek olursanız, artık daha başka bir şey söyleme demiş gibi olursunuz.

"Gücü, kuweti, hafızası yerinde idi." (3/64) Gücü ve hıfzı yerli yerindeydi demektir. "Güldü." Buradan da ilim adamının aralarında bir arkadaşlık, bir ünsiyet bulunması halinde arkadaşlarının huzurunda vakarın sınırlarının dışına çıkıldığı kabul edilecek bir kerteye ulaşmayacak kadar gülmesinde bir sakınca olmadığı anlaşılmaktadır.

"Güldü ve insan aceleden yaratılmıştır dedi" ibaresinden de, bu gibi yerlerde Kur'an'dan delil getirmenin caiz olduğu anlaşılmaktadır. Sahih hadiste de bunun bir benzeri Resulullah (Sallallahu aleyhi ve Sellem)'in bir fiili olarak sabit olmuştur. O Fatıma ve Ali (r.anhuma)'nın evine gidip, kapılarını çalıp geri döndükten sonra "insan ise tartışması her şeyden çok olandır" (el-Kehf, 18/54) buyruğunu okuyarak dönmüştü.

Benzeri rivayetler pek çoktur. "Benim size bunu zikretmemin sebebi. .. Sonra Rabbimin huzuruna dönerim." Rivayetlerde hep bu şekildedir. Daha kuwetli görülen de budur. Hasan-ı Basri sözünü bitirdikten sonra hadisin geri kalan kısmını zikretmek üzere: "Sonra Rabbime dönerim" diye tamamlamaya koyulmuştur. Yani Resulullah (Sallallahu aleyhi ve Sellem): "Sonra Rabbimin huzuruna dönerim" buyurdu, demektir.

"La ilahe illallah diyen kimseler hakkında bana izin ver ... diyenleri andolsun ki çıkartacağım. " Yani ben onları -bundan önceki hadiste geçtiği gibiherhangi bir şefaatçinin şefaati olmadan cehennemden çıkartmakla onlara lütufta bulunacağım. Sözkonusu geçen hadiste de şöyle denilmektedir: "Melekler şefaat etti, nebiler şefaat etti, müminler şefaat etti.

Geriye de sadece erhamu'r-rahimın kaldı. " "Cibriyam hakkı için" buyruğu azametim, saltanatım yahut kahr-u galebem hakkı için demektir. "Ben de el-Hasan hakkında ... şahitlik ederim" sözlerini muhatabın zihninde bu işi iyice yerleştirmek ve kesinliğini anlatmakta mubalağa etmek ve söylediklerini tekid etmek için ifade etmiştir. Yoksa bu gibi bir ifade zaten sözün başında geçmişti.

Allah en iyi bilendir. DAVUDOĞLU AÇIKLAMA: Bu hadis-i Buhâri «Kitabü't-Tevhit» de Nesai; «Kitabu't-Tefsir» de tahriç etmişlerdir. Bu da şefaat hadisinin bir başka rivayetidir. Basra'lı cemaat şefaat hadisini dinlemek maksadiyle Enes b. Malik (Radiyallahu Anhum)'a gitmişler Hz. Enes kendilerini tanımadığ için onları tanıştırmak ve ricalarını kendisine bildirmek maksadiyle yanlarına Enes (Radiyallahu anh) 'ın dostu olan Sabit-i Bünânî'yi de almışlar.

Enes (R.A.) 'in evi Basra'ya iki fersah mesafede bulunan Ezzaviye» denilen yerde imiş. Basra'lılar şefaat hadisini orada dinlemişler dönüşte Hasan-ı Basri (Rahimehullah) 'in yanına uğramak akıllarına gelmiş Hasan-ı Basri Haccac-ı zalimin zulmünden korkarak Basra'lı Ebu Halifete't-Tâî'nin evinde gizleniyormuş. Hasan bu eve girince Allah'a duâ etmiş; düşmanları kendisini burada altı defa aradıkları halde bulamamışlardır.

Hadisin sonunu da ondan dinlemişler. Hasan-ı Basrî hadisin bir kısmının noksan bırakıldığını görünce «Hîhî» demiş. Bu kelime «ihi» şeklinde de rivayet olunur. İsmi fiil olup sonunu getir; ziyadesini söyle manâlarına gelir. Basra'lılar «bize bundan ziyadesi söylenmedi» deyince Hasan-ı Basrî bu hadisi Enes (R.A.) 'dan yirmi sene evvel dinlediğini: o zaman Enes'in daha derli toplu yani genç ve dinç aklı yerinde bulunduğunu söylüyerek ihtiyarlık sebebiyle unuttumu yoksa söylerse bu cemaat hadisi büyük bir müjde telâkki ederlerde ibadetlerden vaz geçerler diye korktuğu için mi her ne sebeple ise hadisin bir kısmını muhakkak rivayet etmediğini söyliyerek tamamını kendisi rivayet etmştir.

Nebi (Sallallahu Aleyhi ve Sellem)'in kendi ümmetine şefaat edilmesi müşkül görülmüştür. Çünkü şefaat için ona müracaat edenler yalnız kendi ümmeti değil bütün insanlardır. Bu işkâle şöyle cevap verilir. İhtimal «Ümmetim» sözünden murad; şefaat için müracaat eden mu'min ümmetler yahud sancağının altına toplananlardır. Bu sebeble onları kendine izafe etmişdir.

Kaadî Iyâz'a göre, ibarede kısaltma vardır. Evvela umumî şefaat için izin verilecek. Sonra ümmeti için hususî şefaat dileyecektir. Hasan'ın rivayetinde: İzzet, kibriyâ azamet ve cibriyâ kelimeleri edilmiştir. Bunlar bir birinin müteradifi olmak üzere aynı ma'nâya gelirler. edilmiştir. Bunlar birinin müteradifi olmak üzere aynı manâya gelirler.

«Eşya zıddı ile anlaşılır» kaidesi mucibince biz bunların nakızlarını yani zıdlarını söyleyelim de hususi manâları daha iyi anlaşılsın. İzzetin nakîzi zül, kibriyanm nakîzi küçüklük, azamet ve cibriyanın nakîzi hakaretdir. Allah Teâlâ'ya izafe edilen bu sıfatlarla ona lâyık olan lazimi manâları kasdedilir. Bazıları: «Kibriya zatının kemâline azamet ve cibriya sıfatlarının kemâline raci'dir. Celâl sıfatı ise, hem zatının hem sıfatlarının kemâline raci bir sıfattır» derler

Sahih Muslim 479a, Book 4, The Book of Prayers, Hadith 236. 1 min read

What it means

The Messenger of Allah (may Allah's peace and blessings be upon him) lifted the curtain that covered the door of his house and saw the people standing in rows behind Abu Bakr (may Allah be pleased with him) and praying in congregation. Because of his illness, he could not lead them in prayer and ordered Abu Bakr to lead them instead.

Then, he addressed them saying: "O People, there is nothing that remained from the glad tidings of prophet-hood except a good vision." After the death of the Prophet (may Allah's peace and blessings be upon him) and the cessation of revelation, nothing remained but the good vision (dreams); i.e. the true vision that conforms to reality.

The believers see such vision in their sleep, so they rejoice at it and increase in their steadfastness upon faith. A good vision is considered part of prophet-hood because the Prophet (may Allah's peace and blessings be upon him) used to see visions that came true as evident as daylight at the first stage of his prophet-hood. He described visions as "glad tidings" because most visions herald good news; however, some visions are a plain and true warning that Allah, the Almighty, sends to the believer out of mercy so that he prepares himself in advance for what will befall him.

Therefore, a good vision is either glad tidings for the believer or a warning to alert him from a state of heedlessness. "that a Muslim sees for himself or others see it for him": the good vision may be seen by the person himself or by someone else who sees a vision about him. "I have been forbidden to recite the Qur’an while bowing or prostrating": he meant that Allah, the Almighty forbade him from reciting the Qur’an during bowing or prostrating on the ground.

In principle, the whole Ummah is forbidden to do what the Prophet (may Allah's peace and blessings be upon him) was forbidden to do. They follow him in this respect unless there is evidence to denote that the ruling is specific to him. This forbiddance applies if the person intends the recitation of the Qur'an per se during his bowing and prostration.

However, if he intends to supplicate Allah by reciting the Qur'an, then there is nothing wrong with that. This is supported by the Hadīth which reads: "... and every person will only get what he has intended." The wisdom behind this forbiddance – and Allah knows best – is that bowing and prostration are two positions of humiliation and submission.

Also, prostration is offered on the ground, so it is inappropriate to recite the Glorious Qur’an in such a state. "So while bowing, glorify the Lord, may He be Exalted": i.e. say words like: "Glory be to my Lord, the Greatest" and similar phrases of exaltation and glorification that are reported to be said when bowing. "and while prostrating, engage in supplication diligently": i.e. the Muslim who performs prayers should supplicate Allah a great deal during his prostration as it is most likely that his supplications would be answered while prostrating.

It is authentically reported that the Prophet (may Allah's peace and blessings be upon him) said: "The condition in which a slave is closest to His Lord is when he is prostrating, so supplicate Allah a lot." However, this has to be combined with saying "Glory be to My Lord, the Most High", as saying this phrase is obligatory in prostration. "It is most likely that your supplication would be answered": Allah, the Almighty, will most likely respond to your supplications when you are nearest to Him in prostration.

The cases where a person is recommended to prolong his supplication and offer a great deal thereof is when he is praying alone or with a congregation that favors prolonged supplications (during prostration).

From the Encyclopedia of Translated Prophetic Hadiths, hadeethenc.com.

The chain

Who passed it on, from Imam Muslim back to the one who was there.

  1. 1Imam MuslimCompiler, died 261 AH
  2. 2Said ibn MansurTold us, Fourth generation, died 226 AH
  3. 3Abu Bakr ibn Abi ShaybahWith, Fourth generation, died 235 AH
  4. 4Zuhayr ibn HarbWith, Fourth generation, died 234 AH
  5. 5Sufyan ibn UyaynahTold us, Third generation, died 197 AH
  6. 6Sulayman ibn SuhaymInformed me, Successor
  7. 7Ibrahim ibn AbdullahFrom, Successor, died 101 AH
  8. 8Abdullah ibn MabadFrom, Successor
  9. 9Ibn AbbasFrom, Companion, died 65 AH

Read this in the app

Sahih Muslim 479a and the rest of the library, offline, with Bengali, Urdu, Indonesian or Turkish under the English.

Get the app

The Hadith and the Qur'an.
On your phone, offline.

Seventeen collections, the whole Qur'an and Identify, free in the app.