Get the app

Forty Hadith of an-Nawawi

The Forty of an-NawawiBook 1 of 142 hadith
Read all of The Forty of an-Nawawi offlineOffline, in the WhatSurah app. Free.Get the app
1on the authority of Amirul MumininSahih

عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إلَى مَا هَاجَرَ إلَيْهِ»

Abu Hafs Umar ibn al-Khattab (radiyallahu anhu) who said: I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say: “Actions are (judged) by motives (niyyah), so each man will have what he intended. Thus, he whose migration (hijrah) was to Allah and His Messenger, his migration is to Allah and His Messenger; but he whose migration was for some worldly thing he might gain, or for a wife he might marry, his migration is to that for which he migrated.” [Bukhari & Muslim]

আমীরুল মুমিনীন উমার ইবন আল-খাত্তাব (রাঃ) তিনি বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি- “সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপর, আর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছে, তাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছে, তার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছে, আর যার হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) আহরণ করার জন্য অথবা মহিলাকে বিয়ে করার জন্য তার হিজরত সে জন্য বিবেচিত হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।”

[সহীহ্ আল-বুখারীঃ ১, সহীহ্ মুসলিমঃ ১৯০৭। মুহাদ্দিসগণের দুই ইমাম আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইসমাঈল ইব্‌ন ইব্রাহীম ইব্‌ন মুগীরা ইব্‌ন বারদেযবাহ্ আল-বুখারী এবং আবুল হাসান মুসলিম ইব্‌ন হাজ্জাজ ইব্‌ন মুসলিম আল-কুশায়রী আন্-নিশাপুরী আপন আপন সহীহ্ গ্রন্থে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যা সবচেয়ে সহীহ্ গ্রন্থদ্বয় বলে বিবেচিত হয়।]

Müminlerin Emiri Ebu Hafs Ömer bin el-Hattab (ra) şöyle demiştir: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "Ameller ancak niyetlere göredir ve her kişi için ancak niyet ettiği şey vardır. Kimin hicreti Allah ve Resulü içinse, onun hicreti Allah ve Resulü’nedir. Kimin hicreti elde edeceği bir dünyalık veya evleneceği bir kadın içinse, onun hicreti de hicret ettiği şeyedir." [Buhari ve Müslim]

2Also on the authority of UmarSahih

عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَيْضًا

قَالَ: بَيْنَمَا نَحْنُ جُلُوسٌ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ، إذْ طَلَعَ عَلَيْنَا رَجُلٌ شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ، شَدِيدُ سَوَادِ الشَّعْرِ، لَا يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ السَّفَرِ، وَلَا يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ. حَتَّى جَلَسَ إلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَسْنَدَ رُكْبَتَيْهِ إلَى رُكْبَتَيْهِ، وَوَضَعَ كَفَّيْهِ عَلَى فَخِذَيْهِ، وَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ أَخْبِرْنِي عَنْ الْإِسْلَامِ.

فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْإِسْلَامُ أَنْ تَشْهَدَ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَتُقِيمَ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِيَ الزَّكَاةَ، وَتَصُومَ رَمَضَانَ، وَتَحُجَّ الْبَيْتَ إنْ اسْتَطَعْت إلَيْهِ سَبِيلًا. …

قَالَ: صَدَقْت. فَعَجِبْنَا لَهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ! قَالَ: فَأَخْبِرْنِي عَنْ الْإِيمَانِ. قَالَ: أَنْ تُؤْمِنَ بَِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ.

قَالَ: صَدَقْت. قَالَ: فَأَخْبِرْنِي عَنْ الْإِحْسَانِ. قَالَ: أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّك تَرَاهُ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاك.

قَالَ: فَأَخْبِرْنِي عَنْ السَّاعَةِ. قَالَ: مَا الْمَسْئُولُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنْ السَّائِلِ. قَالَ: فَأَخْبِرْنِي عَنْ أَمَارَاتِهَا؟ قَالَ: أَنْ تَلِدَ الْأَمَةُ رَبَّتَهَا، وَأَنْ تَرَى الْحُفَاةَ الْعُرَاةَ الْعَالَةَ رِعَاءَ الشَّاءِ يَتَطَاوَلُونَ فِي الْبُنْيَانِ. ثُمَّ انْطَلَقَ، فَلَبِثْتُ مَلِيًّا، ثُمَّ قَالَ: يَا عُمَرُ أَتَدْرِي مَنْ السَّائِلُ؟.

قُلْتُ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: فَإِنَّهُ جِبْرِيلُ أَتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ دِينَكُمْ. [رَوَاهُ مُسْلِمٌ]

While we were one day sitting with the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) there appeared before us a man dressed in extremely white clothes and with very black hair. No traces of journeying were visible on him, and none of us knew him. He sat down close by the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) rested his knees against the knees of the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and placed his palms over his thighs, and said: “O Muhammad!

Inform me about Islam.” The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) replied: “Islam is that you should testify that there is no deity worthy of worship except Allah and that Muhammad is His Messenger (sallallahu alayhi wa sallam), that you should perform salah (ritual prayer), pay the zakah, fast during Ramadan, and perform Hajj (pilgrimage) to the House (the Kabah at Makkah), if you can find a way to it (or find the means for making the journey to it).” …

He said: “You have spoken the truth.” We were astonished at his thus questioning him (sallallahu alayhi wa sallam) and then telling him that he was right, but he went on to say, “Inform me about Iman (faith).” He (the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) answered, “It is that you believe in Allah and His angels and His Books and His Messengers and in the Last Day, and in fate (qadar), both in its good and in its evil aspects.”

He said, “You have spoken the truth.” Then he (the man) said, “Inform me about Ihsan.” He (the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) answered, “It is that you should serve Allah as though you could see Him, for though you cannot see Him yet He sees you.”

He said, “Inform me about the Hour.” He (the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) said, “About that the one questioned knows no more than the questioner.” So he said, “Well, inform me about its signs.”

He said, “They are that the slave-girl will give birth to her mistress and that you will see the barefooted ones, the naked, the destitute, the herdsmen of the sheep (competing with each other) in raising lofty buildings.” Thereupon the man went off. I waited a while, and then he (the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam)) said, “O Umar, do you know who that questioner was?”

I replied, “Allah and His Messenger know better.” He said, “That was Jibril. He came to teach you your religion.” [Muslim]

উমার (রাঃ) তিনি বলেন, একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসেছিলাম, এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত হয়, যার কাপড় ছিল ধবধবে সাদা, চুল ছিল ভীষণ কালো; তার মাঝে ভ্রমণের কোন লক্ষণ পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। আমাদের মধ্যে কেউ তাকে চিনতে পারে নি। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে গিয়ে বসে, নিজের হাঁটু তার হাঁটুর সঙ্গে মিলিয়ে নিজের হাত তার উরুতে রেখে বললেনঃ “হে মুহাম্মাদ, আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন”।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “ইসলাম হচ্ছে এই- তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সালাত প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত আদায় কর, রমাদানে সওম সাধনা কর এবং যদি সামর্থ থাকে তবে (আল্লাহর) ঘরের হজ্জ কর।” …

তিনি (লোকটি) বললেনঃ “আপনি ঠিক বলেছেন”। আমরা বিস্মিত হলাম, সে নিজে তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছে আবার নিজেই তার জবাবকে ঠিক বলে ঘোষণা করছে। এরপর বললঃ “আচ্ছা, আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন”।

তিনি (রাসূল) বললেনঃ “তা হচ্ছে এই- আল্লাহ্, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ ও আখেরাতর উপর ঈমান আনা এবং তাকদীরের ভাল-মন্দের উপর ঈমান আনা।” সে (আগন্তুক) বললঃ “আপনি ঠিক বলেছেন”।

তারপর বললঃ “আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন”। তিনি বলেনঃ “তা হচ্ছে এই- তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদাত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছ, আর তুমি যদি তাঁকে দেখতে নাও পাও তবে তিনি তোমাকে দেখছেন”।

সে (আগন্তুক) বললঃ “আমাকে কেয়ামত সম্পর্কে বলুন”। তিনি (রাসূল) বললেনঃ “যাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে সে জিজ্ঞাসাকারী অপেক্ষা বেশী কিছু জানে না”। সে (আগন্তুক) বললঃ “আচ্ছা, তার লক্ষণ সম্পর্কে বলুন”।

তিনি (রাসূল) বললেনঃ “তা হচ্ছে এই- দাসী নিজের মালিককে জন্ম দেবে, সম্পদ ও বস্ত্রহীন রাখালগণ উঁচু উঁচু প্রাসাদে দম্ভ করবে”। তারপর ঐ ব্যক্তি চলে যায়, আর আমি আরো কিছুক্ষণ বসে থাকি।

তখন তিনি (রাসূল) আমাকে বললেনঃ “হে উমার, প্রশ্নকারী কে ছিলেন, তুমি কি জান? আমি বললামঃ “আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল অধিক ভাল জানেন”। তিনি বললেনঃ “তিনি হলেন জিবরীল (আঃ) । তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দিতে তোমাদের কাছে এসেছিলেন।” [সহীহ্ মুসলিমঃ]

Yine Ömer (ra) anlatıyor: Bir gün Resulullah'ın (ﷺ) yanında oturduğumuz sırada, elbisesi bembeyaz, saçları simsiyah bir adam yanımıza çıkageldi. Üzerinde yolculuk izi görülmüyordu ve hiçbirimiz onu tanımıyorduk. Peygamber'in (ﷺ) yanına oturdu, dizlerini onun dizlerine dayadı, ellerini uyluklarının üzerine koydu ve: "Ey Muhammed!

Bana İslam hakkında bilgi ver" dedi. Resulullah (ﷺ): "İslam; Allah’tan başka ilah olmadığına ve Muhammed’in O’nun elçisi olduğuna şehadet etmen, namazı kılman, zekatı vermen, Ramazan orucunu tutman ve gücün yetiyorsa Kabe'yi haccetmendir" buyurdu. …

Adam: "Doğru söyledin" dedi. Biz onun hem soru sorup hem de tasdik etmesine şaşırdık. Sonra: "Bana İmandan haber ver" dedi. Efendimiz: "Allah’a, meleklerine, kitaplarına, peygamberlerine, ahiret gününe ve hayrı ve şerriyle kadere inanmandır" buyurdu.

Adam yine: "Doğru söyledin" dedi ve ekledi: "Bana İhsandan haber ver." Efendimiz: "Allah’a, O’nu görüyormuşsun gibi ibadet etmendir; zira sen O’nu görmesen de O seni görmektedir" buyurdu.

Adam: "Kıyametin ne zaman kopacağını haber ver" dedi. Efendimiz: "Bu konuda kendisine soru sorulan, sorandan daha bilgili değildir" cevabını verdi. Bunun üzerine adam: "Öyleyse alametlerinden haber ver" dedi. Efendimiz: "Cariyenin efendisini doğurması; yalın ayak, çıplak, yoksul koyun çobanlarının yüksek binalar yapmada birbirleriyle yarışmalarıdır" buyurdu.

Sonra adam gitti. Bir süre sonra Efendimiz: "Ey Ömer, o soru soranın kim olduğunu biliyor musun?" dedi. Ben: "Allah ve Resulü daha iyi bilir" dedim. Şöyle buyurdu: "O Cebrail’di. Size dininizi öğretmek için gelmişti." [Müslim]

3Abdullah ibn UmarSahih

عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَحَجِّ الْبَيْتِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ»

On the authority of Abdullah, the son of Umar ibn al-Khattab (radiyallahu anhu), who said: I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say, “Islam has been built on five [pillars]: testifying that there is no deity worthy of worship except Allah and that Muhammad is the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), establishing the salah (prayer), paying the zakat (obligatory charity), making the hajj (pilgrimage) to the House, and fasting in Ramadhan.” [Bukhari & Muslim]

আবু আব্দির রহমান আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার ইবন আল-খাত্তাব (রাঃ) তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, “পাঁচটি জিনিসের উপর ইসলামের বুনিয়াদ রাখা হয়েছে— সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন সত্য মা‘বূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, আল্লাহর ঘরের হজ্জ করা এবং রমাদানের সওম পালন করা।” [বুখারীঃ ৮, মুসলিমঃ]

Abdullah bin Ömer bin el-Hattab (ra) şöyle demiştir: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "İslam beş esas üzerine kurulmuştur: Allah’tan başka ilah olmadığına ve Muhammed’in Allah’ın elçisi olduğuna şehadet etmek, namazı kılmak, zekatı vermek, Beytullah’ı haccetmek ve Ramazan orucunu tutmak." [Buhari ve Müslim]

4Abdullah ibn Masood (radiyallahu anhu)Sahih

عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: حَدَّثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ الصَّادِقُ الْمَصْدُوقُ-: إنَّ أَحَدَكُمْ يُجْمَعُ خَلْقُهُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا نُطْفَةً، ثُمَّ يَكُونُ عَلَقَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يَكُونُ مُضْغَةً مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ يُرْسَلُ إلَيْهِ الْمَلَكُ فَيَنْفُخُ فِيهِ الرُّوحَ،

وَيُؤْمَرُ بِأَرْبَعِ كَلِمَاتٍ: بِكَتْبِ رِزْقِهِ، وَأَجَلِهِ، وَعَمَلِهِ، وَشَقِيٍّ أَمْ سَعِيدٍ؛ فَوََاللَّهِ الَّذِي لَا إلَهَ غَيْرُهُ إنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ فَيَدْخُلُهَا.

وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ حَتَّى مَا يَكُونُ بَيْنَهُ وَبَيْنَهَا إلَّا ذِرَاعٌ فَيَسْبِقُ عَلَيْهِ الْكِتَابُ فَيَعْمَلُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ فَيَدْخُلُهَا

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), and he is the truthful, the believed, narrated to us, “Verily the creation of each one of you is brought together in his mother’s womb for forty days in the form of a nutfah (a drop), then he becomes an alaqah (clot of blood) for a like period, then a mudghah (morsel of flesh) for a like period, then there is sent to him the angel who blows his soul into him and who is commanded with four matters: to write down his rizq (sustenance), his life span, his actions, and whether he will be happy or unhappy (i.e., whether or not he will enter Paradise).

By the One, other than Whom there is no deity, verily one of you performs the actions of the people of Paradise until there is but an arms length between him and it, and that which has been written overtakes him, and so he acts with the actions of the people of the Hellfire and thus enters it; and verily one of you performs the actions of the people of the Hellfire, until there is but an arms length between him and it, and that which has been written overtakes him and so he acts with the actions of the people of Paradise and thus he enters it.” [Bukhari & Muslim]

আবূ আব্দির রহমান আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রাঃ) তিনি বলেছেন— রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)— যিনি সত্যবাদী ও যার কথাকে সত্য বলে মেনে নেয়া হয়— তিনি আমাদেরকে বলেছেনঃ তোমাদের সকলের সৃষ্টি নিজের মায়ের পেটে চল্লিশ দিন যাবৎ শুক্ররূপে জমা হওয়ার মাধ্যমে শুরু হতে থাকে, পরবর্তী চল্লিশ দিন জমাট বাঁধা রক্তরূপে থাকে, পরবর্তী চল্লিশ দিন মাংসপিণ্ড রূপে থাকে, তারপর তার কাছে ফেরেশতা পাঠানো হয়।

অতঃপর সে তার মধ্যে রূহ প্রবেশ করায় এবং তাকে চারটি বিষয় লিখে দেয়ার জন্য হুকুম দেয়া হয়- তার রুজি, বয়স, কাজ এবং সে কি সৌভাগ্যবান না দুর্ভাগ্যবান। অতএব, আল্লাহর কসম-যিনি ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই-তোমাদের মধ্যে একজন জান্নাতবাসীর মত কাজ করে [১]- এমনকি তার ও জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এ অবস্থায় তার লিখন তার উপর প্রভাব বিস্তার করে বলে সে জাহান্নামবাসীর মত কাজ শুরু করে এবং তার ফলে তাতে প্রবেশ করে।

এবং তোমাদের মধ্যে অপর এক ব্যক্তি জাহান্নামীদের মত কাজ শুরু করে দেয়- এমনকি তার ও জাহান্নামের মধ্যে মাত্র এক হাত ব্যবধান থাকে, এ অবস্থায় তার লিখন তার উপর প্রভাব বিস্তার করে বলে সে জান্নাতবাসীদের মত কাজ শুরু করে আর সে তাতে প্রবেশ করে। [বুখারীঃ ৩২০৮, মুসলিমঃ]

Abdullah bin Mes'ud (ra) anlatıyor: Doğru sözlü ve sözü tasdik edilen Resulullah (ﷺ) bize şöyle buyurdu: "Sizden birinin yaratılışı, annesinin karnında kırk gün nutfe (damla) olarak toplanır. Sonra aynı süre kadar 'alaka' (kan pıhtısı) olur. Sonra aynı süre kadar 'mudga' (bir çiğnem et) olur. Sonra ona melek gönderilir, ruh üfler ve şu dört şeyi yazması emredilir: Rızkı, eceli, ameli ve şaki (bedbaht) mi yoksa said (mutlu/cennetlik) mi olacağı.

Kendisinden başka ilah olmayan Allah’a yemin ederim ki, sizden biri cennetliklerin amelini işler, öyle ki kendisiyle cennet arasında sadece bir arşın mesafe kalır, derken yazgı (kader) önüne geçer ve cehennemliklerin amelini işleyerek oraya girer. Yine sizden biri cehennemliklerin amelini işler, kendisiyle ateş arasında bir arşın mesafe kalır, derken yazgı önüne geçer ve cennetliklerin amelini işleyerek oraya girer." [Buhari ve Müslim]

5Aishah bint Abi BakrSahih

عَنْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا

قَالَتْ: قَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ

On the authority of the mother of the faithful, Aishah (radiyallahu anha), who said: The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “He who innovates something in this matter of ours (i.e., Islam) that is not of it will have it rejected (by Allah).” [Bukhari & Muslim] In another version in Muslim it reads: “He who does an act which we have not commanded, will have it rejected (by Allah).”

উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে আমাদের দ্বীনের মধ্যে এমন কোন নতুন বিষয় সংযুক্ত করবে যা তার অংশ নয়, তা প্রত্যাখ্যাত হবে (অর্থাৎ তা গ্রহণযোগ্য হবে না)। [বুখারীঃ ২৬৯৭, মুসলিমঃ ১৭১৮] মুসলিমের বর্ণনার ভাষা হলো এই যে, যে ব্যক্তি এমন কাজ করবে যা আমাদের দ্বীনে নেই, তা গ্রহণযোগ্য হবে না (অর্থাৎ প্রত্যাখ্যাত হয়ে যাবে)।

Müminlerin annesi Aişe (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Kim bizim bu işimizde (dinimizde) ondan olmayan bir şeyi sonradan uydurursa, o reddedilir." [Buhari ve Müslim]. Müslim'in bir rivayetinde ise şöyledir: "Kim bizim emrimiz olmayan bir iş yaparsa, o reddedilir

6The Forty of an-NawawiSahih

عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إنَّ الْحَلَالَ بَيِّنٌ، وَإِنَّ الْحَرَامَ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا أُمُورٌ مُشْتَبِهَاتٌ لَا يَعْلَمُهُنَّ كَثِيرٌ مِنْ النَّاسِ، فَمَنْ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ فَقْد اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ وَقَعَ فِي الْحَرَامِ، كَالرَّاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى يُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ فِيهِ، أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، أَلَا وَإِنَّ حِمَى اللَّهِ مَحَارِمُهُ، أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، وَإذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ»

On the authority of an-Numan ibn Basheer (radiyallahu anhu), who said: I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say, “That which is lawful is clear and that which is unlawful is clear, and between the two of them are doubtful matters about which many people do not know. Thus he who avoids doubtful matters clears himself in regard to his religion and his honor, but he who falls into doubtful matters [eventually] falls into that which is unlawful, like the shepherd who pastures around a sanctuary, all but grazing therein.

Truly every king has a sanctuary, and truly Allah’s sanctuary is His prohibitions. Truly in the body there is a morsel of flesh, which, if it be whole, all the body is whole, and which, if it is diseased, all of [the body] is diseased. Truly, it is the heart.” [Bukhari & Muslim]

আবু আব্দিল্লাহ্ আন্-নু‘মান ইবন বশীর (রাঃ) তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ নিঃসন্দেহে হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, আর এ দু‘য়ের মধ্যে কিছু সন্দেহজনক বিষয় আছে যা অনেকে জানে না। অতএব, যে ব্যক্তি সন্দিহান বিষয় হতে নিজেকে রক্ষা করেছে; সে নিজের দ্বীনকে পবিত্র করেছে এবং নিজের সম্মানকেও রক্ষা করেছে।

আর যে ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়ে পতিত হয়েছে; সে হারামে পতিত হয়েছে। তার অবস্থা সেই রাখালের মত যে নিষিদ্ধ চারণ ভূমির চারপাশে (গবাদি) চরায়, আর সর্বদা এ আশংকায় থাকে যে, যে কোন সময় কোন পশু তার মধ্যে প্রবেশ করে চরতে আরম্ভ করবে। সাবধান! প্রত্যেক রাজা-বাদশাহর একটি সংরক্ষিত এলাকা আছে। আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হচ্ছে তাঁর হারামকৃত বিষয়াদি।

সাবধান! নিশ্চয়ই শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড আছে; যখন তা ঠিক থাকে তখন সমস্ত শরীর ঠিক থাকে, আর যখন তা নষ্ট হয়ে যায় তখন গোটা দেহ নষ্ট হয়ে যায় -এটা হচ্ছে কলব (হৃদপিণ্ড)। [বুখারীঃ ৫২, মুসলিমঃ]

Nu’man bin Beşir (ra) şöyle demiştir: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "Helal bellidir, haram da bellidir. İkisi arasında ise insanların çoğunun bilmediği şüpheli şeyler vardır. Kim şüpheli şeylerden kaçınırsa dinini ve şerefini korumuş olur. Kim de şüpheli şeylere düşerse, koruluğun etrafında sürüsünü otlatan ve her an oraya dalma riski olan çoban gibi harama düşer.

Dikkat edin! Her melikin bir koruluğu vardır. Allah’ın koruluğu ise haram kıldığı şeylerdir. Dikkat edin! Vücutta bir et parçası vardır; o düzelirse bütün vücut düzelir, o bozulursa bütün vücut bozulur. Dikkat edin, o kalptir!" [Buhari ve Müslim]

7Tameem ibn Aus ad-Daree (radiyallahu anhu)Sahih

عَنْ أَبِي رُقَيَّةَ تَمِيمِ بْنِ أَوْسٍ الدَّارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الدِّينُ النَّصِيحَةُ. «قُلْنَا: لِمَنْ؟ قَالَ: «لِلَّهِ، وَلِكِتَابِهِ، وَلِرَسُولِهِ، وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ»

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said, “The deen (religion) is naseehah (advice, sincerity).” We said, “To whom?” He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “To Allah, His Book, His Messenger, and to the leaders of the Muslims and their common folk.” [Muslim]

আবু রুকাইয়্যা তামীম ইবন আওস আদ্-দারী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দ্বীন হচ্ছে শুভকামনা। আমরা জিজ্ঞেস করলামঃ কার জন্য? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম নেতাদের এবং সকল মুসলিমের জন্য। [মুসলিমঃ]

Temim ed-Dari (ra) anlatıyor: Peygamber (ﷺ) şöyle buyurdu: "Din nasihattir (samimiyettir)." Biz: "Kime karşı?" dedik. O (ﷺ): "Allah’a, Kitabına, Resulü’ne, Müslümanların yöneticilerine ve tüm Müslümanlara karşı" buyurdu. [Müslim]

8Abdullah ibn Umar (radiyallahu anhu)Sahih

عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ، وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ؛ فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إلَّا بِحَقِّ الْإِسْلَامِ، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ تَعَالَى

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “I have been ordered to fight against the people until they testify that there is none worthy of worship except Allah and that Muhammad is the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), and until they establish the salah and pay the zakat. And if they do that then they will have gained protection from me for their lives and property, unless [they commit acts that are punishable] in Islam, and their reckoning will be with Allah.” [Bukhari & Muslim]

ইবনে উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে হুকুম দেয়া হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষের সঙ্গে লড়াই করতে যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ্ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। আর তারা সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয়।

যদি তারা এরূপ করে তবে তারা আমার হাত থেকে নিজেদের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করে নেবে, অবশ্য ইসলামের হক যদি তা দাবী করে তবে আলাদা কথা; আর তাদের হিসাব নেয়ার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [বুখারীঃ ২৫, মুসলিমঃ]

Abdullah bin Ömer (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "İnsanlar Allah’tan başka ilah olmadığına ve Muhammed’in O’nun elçisi olduğuna şehadet edinceye, namazı kılıp zekatı verinceye kadar onlarla savaşmakla emrolundum. Bunları yaparlarsa —İslam’ın hakkı hariç— kanlarını ve mallarını benden korumuş olurlar. Hesapları ise Allah’a aittir." [Buhari ve Müslim]

9Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ صَخْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَا نَهَيْتُكُمْ عَنْهُ فَاجْتَنِبُوهُ، وَمَا أَمَرْتُكُمْ بِهِ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ، فَإِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ كَثْرَةُ مَسَائِلِهِمْ وَاخْتِلَافُهُمْ عَلَى أَنْبِيَائِهِمْ»

I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say, “What I have forbidden for you, avoid. What I have ordered you [to do], do as much of it as you can. For verily, it was only the excessive questioning and their disagreeing with their Prophets that destroyed [the nations] who were before you.” [Bukhari & Muslim]

আবু হুরায়রা আব্দুর রহমান ইবন সাখর (রাঃ) তিনি বলেছেন- আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি তোমাদেরকে যেসব বিষয় নিষেধ করেছি, তা থেকে বিরত থাক। আর যেসব বিষয়ে আদেশ করেছি, যথাসম্ভব তা পালন কর। বেশী বেশী প্রশ্ন করা আর নবীদের সাথে মতবিরোধ করা তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ধ্বংস করে দিয়েছে। [বুখারীঃ ৭২৮৮, মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "Size neyi yasakladıysam ondan kaçının, neyi emrettiysem de gücünüz yettiği ölçüde onu yapın. Sizden öncekileri ancak çok soru sormaları ve peygamberlerine karşı olan ihtilafları helak etmiştir." [Buhari ve Müslim]

10Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إلَّا طَيِّبًا، وَإِنَّ اللَّهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِينَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِينَ فَقَالَ تَعَالَى: «يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنْ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا»، وَقَالَ تَعَالَى: «يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ«ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إلَى السَّمَاءِ: يَا رَبِّ!

يَا رَبِّ! وَمَطْعَمُهُ حَرَامٌ، وَمَشْرَبُهُ حَرَامٌ، وَمَلْبَسُهُ حَرَامٌ، وَغُذِّيَ بِالْحَرَامِ، فَأَنَّى يُسْتَجَابُ لَهُ؟»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Allah the Almighty is Good and accepts only that which is good. And verily Allah has commanded the believers to do that which He has commanded the Messengers.

So the Almighty has said: ‘O (you) Messengers! Eat of the tayyibat [all kinds of halal (legal) foods], and perform righteous deeds.’ (Al-Mu’minun 23:51) and the Almighty has said: ‘O you who believe! Eat of the lawful things that We have provided you.’ (Al-Baqarah 2:172)” Then he (sallallahu alayhi wa sallam) mentioned [the case] of a man who, having journeyed far, is disheveled and dusty, and who spreads out his hands to the sky saying “O Lord!

O Lord!,” while his food is haram (unlawful), his drink is haram, his clothing is haram, and he has been nourished with haram, so how can [his supplication] be answered? [Muslim]

আবু হুরায়রা (রাঃ) তিনি বলেছেন- রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা পাক-পবিত্র, তাই তিনি কেবল পবিত্র জিনিসই কবূল করে থাকেন। আল্লাহ্ তা‘আলা মুমিনদের ঐ কাজই করার হুকুম দিয়েছেন যা করার হুকুম তিনি রাসূলদেরকে দিয়েছেন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ (হে রাসূলগণ! পবিত্র বস্তু আহার করুন এবং নেক আমল করুন।) আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেছেনঃ (হে মুমিনগণ! আমরা তোমাদের যে পবিত্র জীবিকা দান করেছি তা থেকে আহার কর।) তারপর তিনি (রাসূলুল্লাহ্) এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন যে ব্যক্তি দীর্ঘ সফরে বের হয় এবং তার চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে ও কাপড় ধুলোবালিতে ময়লা হয়ে আছে।

অতঃপর সে নিজের দুই হাত আকাশের দিকে তুলে ধরে ও বলেঃ হে রব! হে রব! অথচ তার খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোষাক হারাম, সে হারামভাবে লালিত-পালিত হয়েছে; এ অবস্থায় কেমন করে তার দো‘আ কবূল হতে পারে। [মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah Teala tayyibdir (temizdir), ancak tayyib olanı kabul eder. Allah, peygamberlere emrettiği şeyi müminlere de emretmiştir. Allah Teala şöyle buyurmuştur: 'Ey peygamberler! Temiz olan şeylerden yiyin ve salih ameller işleyin' (Mü'minun, 51). Yine şöyle buyurmuştur: 'Ey iman edenler!

Size verdiğimiz rızıkların temiz olanlarından yiyin' (Bakara, 172)." Sonra Efendimiz (ﷺ) şunu anlattı: "Bir adam uzun bir yolculuğa çıkar; saçları darmadağınık, toz toprak içindedir. Ellerini göğe kaldırarak 'Ya Rabbi! Ya Rabbi!' diye dua eder. Halbuki yediği haram, içtiği haram, giydiği haram ve haramla beslenmiştir. Böyle birinin duası nasıl kabul edilsin?" [Müslim]

11Abd ar-Rahman ibn AwfHasan

عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ سِبْطِ

رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَيْحَانَتِهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: حَفِظْت مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَعْ مَا يُرِيبُك إلَى مَا لَا يُرِيبُك

On the authority of Abu Muhammad Al-Hasan ibn Ali ibn Abee Talib (radiyallahu anhu), the grandson of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), and the one much loved by him, who said: I memorised from the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam): “Leave that which makes you doubt for that which does not make you doubt.” [At-Tirmidhi] [An-Nasai] At-Tirmidhi said that it was a good and sound (hasan saheeh) hadeeth.

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্নেহাস্পদ দৌহিত্র আবু মুহাম্মাদ হাসান ইবন আলী ইবন আবী তালিব (রাঃ) তিনি বলেছেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে এ কথা শুনে স্মরণ রেখেছিঃ সন্দেহযুক্ত বিষয় বর্জন করে সন্দেহমুক্ত বিষয় গ্রহণ কর।” [তিরমিযীঃ ২৫২০, নাসায়ীঃ ৫৭১১, আর ইমাম তিরমিযী বলেছেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ]

Resulullah'ın (ﷺ) torunu ve sevgilisi Ebu Muhammed Hasan bin Ali (ra) şöyle demiştir: Resulullah'tan (ﷺ) şunu ezberledim: "Sana şüphe vereni bırak, şüphe vermeyene yönel." [Tirmizi ve Nesai]

12Abu HurayrahHasan

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مِنْ حُسْنِ إسْلَامِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ. حَدِيثٌ حَسَنٌ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Part of the perfection of one’s Islam is his leaving that which does not concern him.” A hasan (good) hadeeth which was related by at-Tirmidhi and others in this fashion.

আবু হুরায়রা (রাঃ) তিনি বলেন-রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “অনর্থক অপ্রয়োজনীয় বিষয় ত্যাগ করাই একজন ব্যক্তির উত্তম ইসলাম।” [হাদীসটি হাসান। তিরমিযীঃ ২৩১৮, ইবনে মাজাহঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Kişinin kendisini ilgilendirmeyen şeyleri terk etmesi, Müslümanlığının güzelliğindendir." [Tirmizi]

13Anas ibn MalikSahih

عَنْ أَبِي حَمْزَةَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ خَادِمِ

رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُحِبَّ لِأَخِيهِ مَا يُحِبُّ لِنَفْسِهِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ [رقم:13]، وَمُسْلِمٌ [رقم:45]

On the authority of Abu Hamzah Anas ibn Malik (radiyallahu anhu) — the servant of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) — that the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said: None of you [truly] believes until he loves for his brother that which he loves for himself. [Al-Bukhari] [Muslim]

আবু হামযাহ্ আনাস ইবন মালেক (রাঃ)-রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খাদেম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে।” [বুখারীঃ ১৩, মুসলিমঃ]

Resulullah'ın (ﷺ) hizmetkarı Ebu Hamza Enes bin Malik (ra) anlatıyor: Peygamber (ﷺ) şöyle buyurdu: "Sizden biriniz, kendisi için istediğini kardeşi için de istemedikçe (gerçek manada) iman etmiş olmaz." [Buhari ve Müslim]

14Abdullah ibn MasudSahih

عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ [يشهد أن لا إله إلا الله، وأني رسول الله] إلَّا بِإِحْدَى ثَلَاثٍ: الثَّيِّبُ الزَّانِي، وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ، وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “It is not permissible to spill the blood of a Muslim except in three [instances]: the married person who commits adultery, a life for a life, and the one who forsakes his religion and separates from the community.” [Al-Bukhari] [Muslim]

ইবনে মাসউদ (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “কোন মুসলিমের রক্তপাত করা তিনটি কারণ ব্যতীত বৈধ নয়- বিবাহিত ব্যক্তি যদি ব্যভিচার করে, আর যদি প্রাণের বদলে প্রাণ নিতে হয়। আর যদি কেউ স্বীয় দ্বীনকে পরিত্যাগ করে মুসলিম জামা‘আত হতে আলাদা হয়ে যায়।” [বুখারীঃ ৬৮৭৮, মুসলিমঃ]

İbn Mes'ud (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Müslüman bir kimsenin kanı ancak şu üç durumdan biriyle helal olur: Zina eden evli kişi, cana karşılık can (kısas) ve dinini terk edip cemaatten ayrılan kişi." [Buhari ve Müslim]

15Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بَِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بَِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بَِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Let him who believes in Allah and the Last Day speak good, or keep silent; and let him who believes in Allah and the Last Day be generous to his neighbour; and let him who believes in Allah and the Last Day be generous to his guest. [Al-Bukhari] [Muslim]

আবু হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত হয় উত্তম কথা বলা অথবা চুপ থাকা। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতে ঈমান রাখে, তার উচিত আপন প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়া। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, তার উচিত আপন অতিথির সম্মান করা।" [বুখারীঃ ৬০১৮, মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah’a ve ahiret gününe iman eden ya hayır söylesin ya da sussun. Allah’a ve ahiret gününe iman eden komşusuna ikram etsin. Allah’a ve ahiret gününe iman eden misafirine ikram etsin." [Buhari ve Müslim]

16Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْصِنِي. قَالَ: لَا تَغْضَبْ، فَرَدَّدَ مِرَارًا، قَالَ: لَا تَغْضَبْ

A man said to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), “Counsel me,” so he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Do not become angry.” The man repeated [his request for counsel] several times, and [each time] he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Do not become angry.” [Al-Bukhari]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললঃ আমাকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেনঃ রাগ করো না। লোকটি বার বার রাসূলের নিকট উপেদশ চায় আর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ রাগ করো না। [বুখারীঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Bir adam Peygamber’e (ﷺ) "Bana tavsiyede bulun" dedi. Efendimiz: "Öfkelenme" buyurdu. Adam isteğini birkaç kez tekrarladı, Efendimiz her defasında: "Öfkelenme" buyurdu. [Buhari]

17Shaddad ibn AwsSahih

عَنْ أَبِي يَعْلَى شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ

رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذِّبْحَةَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Verily Allah has prescribed ihsan (proficiency, perfection) in all things. So if you kill then kill well; and if you slaughter, then slaughter well. Let each one of you sharpen his blade and let him spare suffering to the animal he slaughters. [Muslim]

আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ ইবন আওস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ সমস্ত জিনিস উত্তম পদ্ধতিতে করার বিধান করে দিয়েছেন। সুতরাং যখন তুমি হত্যা করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে হত্যা করবে আর যখন তুমি যবেহ্ করবে, তখন উত্তম পদ্ধতিতে যবেহ্ করবে। তোমাদের প্রত্যেকের আপন ছুরি ধারালো করে নেয়া উচিত ও যে জন্তুকে যবেহ্ করা হবে তার কষ্ট লাঘব করা উচিত। [মুসলিমঃ]

Ebu Ya’la Şeddad bin Evs (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah her işte ihsanı (en güzel şekilde yapmayı) farz kılmıştır. Öldürdüğünüzde güzelce öldürün, (hayvan) kestiğinizde güzelce kesin. Her biriniz bıçağını bilesin ve keseceği hayvanı rahatlatsın." [Müslim]

18Abu Dharr al-GhifariHasan

عَنْ أَبِي ذَرٍّ جُنْدَبِ بْنِ جُنَادَةَ، وَأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: اتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْت، وَأَتْبِعْ السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا، وَخَالِقْ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَنٍ

On the authority of Abu Dharr Jundub ibn Junadah, and Abu Abdur-Rahman Muadh ibn Jabal (radiyallahu anhu), that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Have taqwa (fear) of Allah wherever you may be, and follow up a bad deed with a good deed which will wipe it out, and behave well towards the people. It was related by at-Tirmidhi, who said it was a hasan (good) hadeeth, and in some copies it is stated to be a hasan saheeh hadeeth.

আবূ যার জুনদুব ইবন জুনাদাহ্ এবং আবূ আব্দুর রহমান মু'আয ইবন জাবাল (রাঃ) তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমি যেখানে যে অবস্থায় থাক না কেন আল্লাহকে ভয় কর এবং প্রত্যেক মন্দ কাজের পর ভাল কাজ কর, যা তাকে মুছে দেবে; আর মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার কর। [তিরমিযীঃ ১৯৮৭, এবং (তিরমিযী) বলেছেন যে, এটা হচ্ছে হাসান হাদীস। কোন কোন সংকলনে এটাকে হাসান সহীহ্ বলা হয়েছে।

Ebu Zer ve Muaz bin Cebel (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Nerede olursan ol Allah’tan kork. Kötülüğün peşinden onu silecek bir iyilik yap ve insanlara güzel ahlakla davran." [Tirmizi]

19Ibn AbbasHasan

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

قَالَ: «كُنْت خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا، فَقَالَ: يَا غُلَامِ! إنِّي أُعَلِّمُك كَلِمَاتٍ: احْفَظْ اللَّهَ يَحْفَظْك، احْفَظْ اللَّهَ تَجِدْهُ تُجَاهَك، إذَا سَأَلْت فَاسْأَلْ اللَّهَ، وَإِذَا اسْتَعَنْت فَاسْتَعِنْ بَِاللَّهِ، وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوك بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَك،

وَإِنْ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوك بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوك إلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْك؛ رُفِعَتْ الْأَقْلَامُ، وَجَفَّتْ الصُّحُفُ» وَفِي رِوَايَةِ غَيْرِ التِّرْمِذِيِّ: «احْفَظْ اللَّهَ تَجِدْهُ أمامك، تَعَرَّفْ إلَى اللَّهِ فِي الرَّخَاءِ يَعْرِفُك فِي الشِّدَّةِ، وَاعْلَمْ أَنَّ مَا أَخْطَأَك لَمْ يَكُنْ لِيُصِيبَك، وَمَا أَصَابَك لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَك، وَاعْلَمْ أَنَّ النَّصْرَ مَعَ الصَّبْرِ، وَأَنْ الْفَرَجَ مَعَ الْكَرْبِ، وَأَنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا»

One day I was behind the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) [riding on the same mount] and he said, “O young man, I shall teach you some words [of advice]: Be mindful of Allah and Allah will protect you. Be mindful of Allah and you will find Him in front of you. If you ask, then ask Allah [alone]; and if you seek help, then seek help from Allah [alone].

And know that if the nation were to gather together to benefit you with anything, they would not benefit you except with what Allah had already prescribed for you. And if they were to gather together to harm you with anything, they would not harm you except with what Allah had already prescribed against you. The pens have been lifted and the pages have dried.”

It was related by at-Tirmidhi, who said it was a good and sound hadeeth. Another narration, other than that of Tirmidhi, reads: Be mindful of Allah, and you will find Him in front of you. Recognize and acknowledge Allah in times of ease and prosperity, and He will remember you in times of adversity. And know that what has passed you by [and you have failed to attain] was not going to befall you, and what has befallen you was not going to pass you by. And know that victory comes with patience, relief with affliction, and hardship with ease.

আবূ আব্বাস আব্দুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) একদিন আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে ছিলাম, তিনি আমাকে বললেনঃ "হে যুবক! আমি তোমাকে কয়েকটি কথা শেখাবো- আল্লাহকে সংরক্ষণ করবে [২] তো তিনি তোমাকে সংরক্ষণ করবেন, আল্লাহকে স্মরণ করলে তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। যখন কিছু চাইবে তো আল্লাহর কাছেই চাইবে; যখন সাহায্য চাইবে তো আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাইবে।

জেনে রাখ, সমস্ত মানুষ যদি তোমার কোন উপকার করতে চায় তবে আল্লাহ্ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তা ব্যতীত আর কোন উপকার করতে পারবে না। আর যদি সমস্ত মানুষ তোমার কোন অনিষ্ট করতে চায় তবে আল্লাহ্ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তা ব্যতীত আর কোন অনিষ্ট করতে পারবে না। কলম তুলে নেয়া হয়েছে এবং পৃষ্ঠা শুকিয়ে গেছে।"

[তিরমিযীঃ ২৫১৬, হাদীসটি সহীহ্ (হাসান) বলেছেন।] তিরমিযী ছাড়া অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ "আল্লাহকে স্মরণ করবে তো তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে, তুমি স্বচ্ছল অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে তো তিনি তোমাকে কঠিন অবস্থায় স্মরণ করবেন। মনে রেখো- যা তুমি পেলে না, তা তোমার পাবার ছিল না, আর যা তুমি পেলে তা তুমি না পেয়ে থাকতে না।

আরো জেনে রাখো- ধৈর্য্য ধারণের ফলে (আল্লাহর) সাহায্য লাভ করা যায়। কষ্টের পর স্বাচ্ছন্দ আসে। কঠিন অবস্থার পর স্বচ্ছলতা আসে।

Ebu’l-Abbas Abdullah bin Abbas (ra) anlatıyor: Bir gün Peygamber'in (ﷺ) arkasındaydım (aynı binek üzerinde), bana şöyle buyurdu: "Ey genç! Sana bazı kelimeler öğreteceğim: Allah’ı (emir ve yasaklarını) koru ki Allah da seni korusun. Allah’ı koru ki O’nu karşında bulasın. Bir şey istediğinde Allah’tan iste; yardım dilediğinde Allah’tan dile.

Bil ki, bütün ümmet sana bir fayda sağlamak için toplansa, Allah’ın senin için yazdığından başka bir fayda veremezler. Eğer sana bir zarar vermek için toplansalar, Allah’ın senin aleyhine yazdığından başka bir zarar veremezler. Kalemler kaldırılmış, sayfalar kurumuştur." [Tirmizi]. Başka bir rivayette ise şöyledir: "Allah’ı bollukta tanı ki, O da seni darlıkta tanısın.

Bil ki, sana isabet etmeyecek olan şey başına gelmezdi; başına gelen şey ise seni atlayıp geçmezdi. Bil ki, zafer sabırla, kurtuluş darlıkla ve kolaylık da zorlukla beraberdir

20Uqbah ibn AmrSahih

عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو الْأَنْصَارِيِّ الْبَدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلَامِ النُّبُوَّةِ الْأُولَى: إذَا لَمْ تَسْتَحِ فَاصْنَعْ مَا شِئْت»

On the authority of Abu Masood Uqbah ibn Amr al-Ansaree al-Badree (radiyallahu anhu) who said: The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Verily, from what was learnt by the people from the speech of the earliest prophecy is: If you feel no shame, then do as you wish.” [Al-Bukhari]

আবূ মাসউদ উকবাহ্ ইবন আমর আল-আনসারী আল-বদরী (রাঃ) তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "অতীতের নবীগণের কাছ থেকে মানুষ একথা জানতে পেরেছে- যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে যা ইচ্ছা তাই কর।" [বুখারীঃ]

Ebu Mes'ud el-Ensari (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "İnsanların peygamberlik sözlerinden ilk öğrendiği şey şudur: Şayet utanmıyorsan dilediğini yap!" [Buhari]

21Yusayr ibn Amr Aw ibn JabirSahih

عَنْ أَبِي عَمْرٍو وَقِيلَ

أَبِي عَمْرَةَ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قُلْت: يَا رَسُولَ اللَّهِ! قُلْ لِي فِي الْإِسْلَامِ قَوْلًا لَا أَسْأَلُ عَنْهُ أَحَدًا غَيْرَك؛ قَالَ: قُلْ: آمَنْت بَِاللَّهِ ثُمَّ اسْتَقِمْ

On the authority of Abu Amr — and he is also called Abu Amrah — Sufyan ibn Abdullah ath- Thaqafee (radiyallahu anhu) who said: I said, “O Messenger of Allah, tell me something about al-Islam which I can ask of no one but you.” He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Say I believe in Allah — and then be steadfast.” [Muslim]

সুফিয়ান ইবন আব্দুল্লাহ্ আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু বলে দিন যেন আপনাকে ব্যতীত আর কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন না হয়। তিনি বললেনঃ বল- 'আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি'; তারপর এর উপর দৃঢ় থাক।" [মুসলিমঃ]

Ebu Amr Süfyan bin Abdullah (ra) anlatıyor: "Ey Allah’ın Resulü! Bana İslam hakkında öyle bir söz söyle ki, senden sonra başka kimseye sormaya ihtiyacım kalmasın" dedim. Şöyle buyurdu: "Allah’a inandım de, sonra da dosdoğru ol!" [Müslim]

22The Forty of an-NawawiSahih

عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَرَأَيْت إذَا صَلَّيْت الْمَكْتُوبَاتِ، وَصُمْت رَمَضَانَ، وَأَحْلَلْت الْحَلَالَ، وَحَرَّمْت الْحَرَامَ، وَلَمْ أَزِدْ عَلَى ذَلِكَ شَيْئًا؛ أَأَدْخُلُ الْجَنَّةَ؟ قَالَ: نَعَمْ

On the authority of Abu Abdullah Jabir ibn Abdullah al-Ansaree (radiyallahu anhu) that: A man questioned the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and said, “Do you think that if I perform the obligatory prayers, fast in Ramadhan, treat as lawful that which is halal, and treat as forbidden that which is haram, and do not increase upon that [in voluntary good deeds], then I shall enter Paradise?” He (sallallahu alayhi wa sallam) replied, “Yes.” [Muslim]

আবূ আব্দুল্লাহ্ জাবের ইবন আব্দুল্লাহ্ আল-আনসারী (রাঃ) এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ আপনি কি মনে করেন যদি আমি ফরয নামায আদায় করি, রমযানে রোযা রাখি, হালালকে হালাল বলে ও হারামকে হারাম বলে ঘোষণা করি, আর এর বেশী কিছু না করি, তাহলে কি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবো? তিনি বললেনঃ হাঁ। [মুসলিমঃ]

Ebu Abdullah Cabir bin Abdullah el-Ensari (ra) anlatıyor: Bir adam Resulullah’a (ﷺ) sordu: "Ne dersin; farz namazları kılsam, Ramazan orucunu tutsam, helali helal bilip haramı haram saysam ve bunlara hiçbir şey eklemesem cennete girer miyim?" Efendimiz: "Evet" buyurdu. [Müslim]

23Abu MalikSahih

عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْحَارِثِ بْنِ عَاصِمٍ الْأَشْعَرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الطَّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ تَمْلَأُ الْمِيزَانَ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ تَمْلَآنِ (أَوْ: تَمْلَأُ) مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ، وَالصَّلَاةُ نُورٌ، وَالصَّدَقَةُ بُرْهَانٌ، وَالصَّبْرُ ضِيَاءٌ، وَالْقُرْآنُ حُجَّةٌ لَك أَوْ عَلَيْك، كُلُّ النَّاسِ يَغْدُو، فَبَائِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Purity is half of iman (faith). ‘Al-hamdu lillah (praise be to Allah)’ fills the scales, and ‘subhan-Allah (how far is Allah from every imperfection) and ‘Al-hamdulillah (praise be to Allah)’ fill that which is between heaven and earth. And the salah (prayer) is a light, and charity is a proof, and patience is illumination, and the Qur’an is a proof either for you or against you.

Every person starts his day as a vendor of his soul, either freeing it or causing its ruin.’ [Muslim]”

আবূ মালেক আল-হারেস ইবন আসেম আল-আশ'আরী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "পবিত্রতা ঈমানের অর্ধেক; আল-হামদুলিল্লাহ্ (সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য) [বললে] পাল্লা পরিপূর্ণ করে দেয় এবং “সুবহানাল্লাহ ওয়াল-হামদুলিল্লাহ্ (আল্লাহ্ কতই না পবিত্র! এবং সমস্ত প্রশংসা কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য) উভয়ে অথবা এর একটি আসমান ও যমীনের মাঝখান পূর্ণ করে দেয়।

নামায হচ্ছে আলো, সাদকা হচ্ছে প্রমাণ, সবর উজ্জ্বল আলো, আর কুরআন তোমার পক্ষে অথবা বিপক্ষে প্রমাণ। প্রত্যেক ব্যক্তি আপন আত্মার ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে সকাল শুরু করে- আর তা হয় তাকে মুক্ত করে দেয় অথবা তাকে ধ্বংস করে দেয়।" [মুসলিমঃ]

Ebu Malik el-Eş’ari (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Temizlik imanın yarısıdır. 'Elhamdülillah' mizanı doldurur. 'Sübhanallahi ve’l-hamdülillahi' ise göklerle yer arasını doldurur. Namaz bir nurdur, sadaka bir burhandır (delildir), sabır bir ziyadır (ışıktır). Kur’an ise ya lehine ya da aleyhine bir delildir. Herkes sabah kalkar ve nefsini satar; kimisi onu azat eder, kimisi de helak eder." [Müslim]

24Abu Dharr al-GhifariSahih

عَنْ أَبِي ذَرٍّ الْغِفَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيمَا يَرْوِيهِ عَنْ رَبِّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى، أَنَّهُ قَالَ: يَا عِبَادِي: إنِّي حَرَّمْت الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي، وَجَعَلْته بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا؛ فَلَا تَظَالَمُوا. يَا عِبَادِي! كُلُّكُمْ ضَالٌّ إلَّا مَنْ هَدَيْته، فَاسْتَهْدُونِي أَهْدِكُمْ.

يَا عِبَادِي! كُلُّكُمْ جَائِعٌ إلَّا مَنْ أَطْعَمْته، فَاسْتَطْعِمُونِي أُطْعِمْكُمْ. يَا عِبَادِي! كُلُّكُمْ عَارٍ إلَّا مَنْ كَسَوْته، فَاسْتَكْسُونِي أَكْسُكُمْ. يَا عِبَادِي! إنَّكُمْ تُخْطِئُونَ بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَأَنَا أَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا؛ فَاسْتَغْفِرُونِي أَغْفِرْ لَكُمْ. …

يَا عِبَادِي! إنَّكُمْ لَنْ تَبْلُغُوا ضُرِّي فَتَضُرُّونِي، وَلَنْ تَبْلُغُوا نَفْعِي فَتَنْفَعُونِي. يَا عِبَادِي! لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَتْقَى قَلْبِ رَجُلٍ وَاحِدٍ مِنْكُمْ، مَا زَادَ ذَلِكَ فِي مُلْكِي شَيْئًا. يَا عِبَادِي!

لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ كَانُوا عَلَى أَفْجَرِ قَلْبِ رَجُلٍ وَاحِدٍ مِنْكُمْ، مَا نَقَصَ ذَلِكَ مِنْ مُلْكِي شَيْئًا. يَا عِبَادِي! لَوْ أَنَّ أَوَّلَكُمْ وَآخِرَكُمْ وَإِنْسَكُمْ وَجِنَّكُمْ قَامُوا فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ، فَسَأَلُونِي، فَأَعْطَيْت كُلَّ وَاحِدٍ مَسْأَلَته، مَا نَقَصَ ذَلِكَ مِمَّا عِنْدِي إلَّا كَمَا يَنْقُصُ الْمِخْيَطُ إذَا أُدْخِلَ الْبَحْرَ.

يَا عِبَادِي! إنَّمَا هِيَ أَعْمَالُكُمْ أُحْصِيهَا لَكُمْ، ثُمَّ أُوَفِّيكُمْ إيَّاهَا؛ فَمَنْ وَجَدَ خَيْرًا فَلْيَحْمَدْ اللَّهَ، وَمَنْ وَجَدَ غَيْرَ ذَلِكَ فَلَا يَلُومَن إلَّا نَفْسَهُ

On the authority of Abu Dharr al-Ghifaree (radiyallahu anhu) from the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) from his Lord, that He said: O My servants! I have forbidden dhulm (oppression) for Myself, and I have made it forbidden amongst you, so do not oppress one another. O My servants, all of you are astray except those whom I have guided, so seek guidance from Me and I shall guide you.

O My servants, all of you are hungry except those whom I have fed, so seek food from Me and I shall feed you. O My servants, all of you are naked except those whom I have clothed, so seek clothing from Me and I shall clothe you. O My servants, you commit sins by day and by night, and I forgive all sins, so seek forgiveness from Me and I shall forgive you. …

O My servants, you will not attain harming Me so as to harm Me, and you will not attain benefiting Me so as to benefit Me. O My servants, if the first of you and the last of you, and the humans of you and the jinn of you, were all as pious as the most pious heart of any individual amongst you, then this would not increase My Kingdom an iota.

O My servants, if the first of you and the last of you, and the humans of you and the jinn of you, were all as wicked as the most wicked heart of any individual amongst you, then this would not decrease My Kingdom an iota. O My servants, if the first of you and the last of you, and the humans of you and the jinn of you, were all to stand together in one place and ask of Me, and I were to give everyone what he requested, then that would not decrease what I Possess, except what is decreased of the ocean when a needle is dipped into it.

O My servants, it is but your deeds that I account for you, and then recompense you for. So he who finds good, let him praise Allah, and he who finds other than that, let him blame no one but himself. [Muslim]

আবূ যর আল-গিফারী (রাঃ) তিনি বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বরকতময় ও সুমহান রবের নিকট হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহ্ বলেছেনঃ "হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুমকে আমার জন্য হারাম করে দিয়েছি, আর তা তোমাদের মধ্যেও হারাম করে দিয়েছি; অতএব তোমরা একে অপরের উপর যুলুম করো না। হে আমার বান্দাগণ!

আমি যাকে হেদায়াত দিয়েছি সে ছাড়া তোমরা সকলেই পথভ্রষ্ট। সুতরাং আমার কাছে হেদায়াত চাও, আমি তোমাদের হেদায়াত দান করব। হে আমার বান্দাগণ! আমি যাকে অন্ন দান করেছি, সে ছাড়া তোমরা সকলেই ক্ষুধার্ত। সুতরাং তোমরা আমার নিকট খাদ্য চাও, আমি তোমাদের খাদ্য দান করব। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা সবাই বিবস্ত্র, সে ব্যতীত যাকে আমি কাপড় পরিয়েছি। …

সুতরাং আমার কাছে বস্ত্র চাও, আমি তোমাদেরকে বস্ত্রদান করব। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা রাতদিন গোনাহ্ করছ, আর আমি তোমাদের গোনাহ্ ক্ষমা করে দেই। সুতরাং আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব। হে আমার বান্দাগণ! তোমরা কখনোই আমার ক্ষতি করার সামর্থ রাখ না যে আমার ক্ষতি করবে আর তোমরা কখনোই আমার ভালো করার ক্ষমতা রাখ না যে আমার ভালো করবে।

হে আমার বান্দাগণ! তোমরা পূর্বাপর সকল মানুষ ও জিন যদি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় মোত্তাকী ও পরহেযগার ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই বৃদ্ধি করবে না। আমার বান্দাগণ! তোমাদের পূর্বাপর সকল মানুষ ও জিন যদি তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে পাপী ব্যক্তির হৃদয়ের মত হয়ে যায়, তবে তা আমার রাজত্বে কিছুই কমাতে পারবে না।

হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের পূর্বের ও তোমাদের পরের সকলে, তোমাদের সমস্ত মানুষ ও তোমাদের সমস্ত জিন যদি সবাই একই ময়দানে দাঁড়িয়ে আমার কাছে চায় এবং আমি সকলের চাওয়া পূরণ করে দেই তবে আমার নিকট যা আছে তাতে সমুদ্রে এক সুঁই রাখলে যতটা কম হয়ে যায় তা ব্যতীত আর কিছু কম হতে পারে না। হে আমার বান্দাগণ! আমি তোমাদের আমলকে (কাজকে) তোমাদের জন্য গণনা করে রাখি, আর আমি তার পুরোপুরি প্রতিফল দিয়ে দেব।

সুতরাং যে ব্যক্তি উত্তম প্রতিফল পাবে তার আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত, আর যে তার বিপরীত পাবে তার শুধু নিজেকেই ধিক্কার দেয়া উচিত।" [মুসলিমঃ]

Ebu Zer el-Gıfari (ra) anlatıyor: Peygamber (ﷺ) Aziz ve Celil olan Rabbinden naklen şöyle buyurdu: "Ey kullarım! Ben zulmü kendime haram kıldım, onu sizin aranızda da haram kıldım; birbirinize zulmetmeyin. Ey kullarım! Benim hidayet verdiklerim hariç hepiniz delalettesiniz; Benden hidayet isteyin ki sizi hidayete erdireyim. Ey kullarım!

Benim doyurduklarım hariç hepiniz açsınız; Benden yemek isteyin ki sizi doyurayım... Ey kullarım! Sizin ilkiniz ve sonunuz, insanınız ve cinniniz, içinizdeki en takva sahibi kişinin kalbi üzere olsanız, bu Benim mülküme hiçbir şey katmaz. Ey kullarım! İlkiniz ve sonunuz, insanınız ve cinniniz, içinizdeki en günahkar kişinin kalbi üzere olsanız, bu Benim mülkümden hiçbir şey eksiltmez... …

Ey kullarım! Bunlar ancak sizin amellerinizdir; onları sizin için sayıyor, sonra da karşılığını veriyorum. Kim bir hayır bulursa Allah’a hamd etsin; kim de bundan başkasını bulursa ancak kendi nefsini kınasın." [Müslim]

25Abu Dharr al-GhifariSahih

عَنْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَيْضًا

أَنَّ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ بِالْأُجُورِ؛ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي، وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ، وَيَتَصَدَّقُونَ بِفُضُولِ أَمْوَالِهِمْ.

قَالَ: أَوَلَيْسَ قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ مَا تَصَّدَّقُونَ؟ إنَّ بِكُلِّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةً، وَكُلِّ تَكْبِيرَةٍ صَدَقَةً، وَكُلِّ تَحْمِيدَةٍ صَدَقَةً، وَكُلِّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةً، وَأَمْرٌ بِمَعْرُوفٍ صَدَقَةٌ، وَنَهْيٌ عَنْ مُنْكَرٍ صَدَقَةٌ، وَفِي بُضْعِ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ. …

قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيَأْتِي أَحَدُنَا شَهْوَتَهُ وَيَكُونُ لَهُ فِيهَا أَجْرٌ؟ قَالَ: أَرَأَيْتُمْ لَوْ وَضَعَهَا فِي حَرَامٍ أَكَانَ عَلَيْهِ وِزْرٌ؟ فَكَذَلِكَ إذَا وَضَعَهَا فِي الْحَلَالِ، كَانَ لَهُ أَجْرٌ

Some people from amongst the Companions of the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), “O Messenger of Allah, the affluent have made off with the rewards; they pray as we pray, they fast as we fast, and they give [much] in charity by virtue of their wealth.”

He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Has not Allah made things for you to give in charity? Truly every tasbeehah [saying: ‘subhan-Allah’] is a charity, and every takbeerah [saying: ‘Allahu akbar’] is a charity, and every tahmeedah [saying: ‘al-hamdu lillah’] is a charity, and every tahleelah [saying: ‘laa ilaha illAllah’] is a charity. …

And commanding the good is a charity, and forbidding an evil is a charity, and in the budi [sexual act] of each one of you there is a charity.” They said, “O Messenger of Allah, when one of us fulfils his carnal desire will he have some reward for that?”

He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Do you not see that if he were to act upon it [his desire] in an unlawful manner then he would be deserving of punishment? Likewise, if he were to act upon it in a lawful manner then he will be deserving of a reward.” [Muslim]

আবূ যর (রাঃ) রাসূলুল্লাহর কিছু সাহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেনঃ "হে আল্লাহর রাসূল! বিত্তবান লোকেরা প্রতিফল ও সওয়াবের কাজে এগিয়ে গেছে। আমরা নামায পড়ি তারাও সেরকম নামায পড়ে, আমরা রোযা রাখি তারাও সেরকম রোযা রাখে, তারা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ সদকা করে।

তিনি বলেনঃ আল্লাহ্ কি তোমাদের জন্য এমন জিনিস রাখেননি যে তোমরা সদকাহ্ দিতে পার। প্রত্যেক তাসবীহ্ (সোবহান আল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাকবীর (আল্লাহু আকবার) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) হচ্ছে সদকাহ্, প্রত্যেক ভালো কাজের হুকুম দেয়া হচ্ছে সদকাহ্ এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত করা হচ্ছে সদকাহ্। …

আর তোমাদের প্রত্যেকে আপন স্ত্রীর সাথে সহবাস করাও হচ্ছে সদকাহ্। তারা জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের মধ্যে কেউ যখন যৌন আকাঙ্খা সহকারে স্ত্রীর সাথে সম্ভোগ করে, তাতেও কি সওয়াব হবে?

তিনি বলেনঃ তোমরা কি দেখ না, যখন সে হারাম পদ্ধতিতে তা করে, তখন সে গোনাহগার হয় কি না! সুতরাং অনুরূপভাবে যখন সে ঐ কাজ বৈধভাবে করে তখন সে তার জন্য প্রতিফল ও সওয়াব পাবে।" [মুসলিমঃ]

Ebu Zer (ra) anlatıyor: Resulullah’ın (ﷺ) ashabından bir kısmı Peygamber'e dediler ki: "Ey Allah’ın Resulü, varlıklı olanlar sevapları alıp götürdüler. Bizim kıldığımız gibi namaz kılıyor, tuttuğumuz gibi oruç tutuyorlar; bir de mallarının fazlasından sadaka veriyorlar."

Efendimiz buyurdu ki: "Allah size sadaka vereceğiniz şeyler vermedi mi? Her tesbih bir sadakadır, her tekbir bir sadakadır, her tahmid bir sadakadır, her tehlil bir sadakadır. İyiliği emretmek sadaka, kötülükten nehyetmek sadakadır. Hatta birinizin eşiyle birlikteliğinde bile sadaka vardır." Dediler ki: "Ey Allah’ın Resulü, birimiz şehvetini tatmin etse bundan sevap mı alır?" …

Şöyle buyurdu: "Görmez misiniz, eğer onu haram yolla yapsaydı günah olmayacak mıydı? İşte helal yolla yapınca da onun için sevap vardır." [Müslim]

26Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كُلُّ سُلَامَى مِنْ النَّاسِ عَلَيْهِ صَدَقَةٌ، كُلَّ يَوْمٍ تَطْلُعُ فِيهِ الشَّمْسُ تَعْدِلُ بَيْنَ اثْنَيْنِ صَدَقَةٌ، وَتُعِينُ الرَّجُلَ فِي دَابَّتِهِ فَتَحْمِلُهُ عَلَيْهَا أَوْ تَرْفَعُ لَهُ عَلَيْهَا مَتَاعَهُ صَدَقَةٌ، وَالْكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ، وَبِكُلِّ خُطْوَةٍ تَمْشِيهَا إلَى الصَّلَاةِ صَدَقَةٌ، وَتُمِيطُ الْأَذَى عَنْ الطَّرِيقِ صَدَقَةٌ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Every joint of a person must perform a charity each day that the sun rises: to judge justly between two people is a charity. To help a man with his mount, lifting him onto it or hoisting up his belongings onto it, is a charity. And the good word is a charity. And every step that you take towards the prayer is a charity, and removing a harmful object from the road is a charity.” [Al-Bukhari] [Muslim]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "প্রত্যেহ যখন সূর্য উঠে মানুষের (শরীরের) প্রত্যেক গ্রন্থির সাদকাহ্ দেয়া অবশ্য কর্তব্য। দু'জন মানুষের মাঝে ইনসাফ করা হচ্ছে সাদকাহ্, কোন আরোহীকে তার বাহনের উপর আরোহন করতে বা তার উপর বোঝা উঠাতে সাহায্য করা হচ্ছে সাদকাহ্, ভাল কথা হচ্ছে সাদকাহ্, সালাতের জন্য প্রত্যেক পদক্ষেপ হচ্ছে সাদকাহ্ এবং কষ্টদায়ক জিনিস রাস্তা থেকে সরানো হচ্ছে সাদকাহ্।" [বুখারীঃ ২৯৮৯, মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Güneşin doğduğu her gün, insanın her bir eklemi (mafsalı) için bir sadaka borcu vardır: İki kişinin arasını adaletle düzeltmek sadakadır. Birine hayvanına binmesi veya yükünü taşıması için yardım etmek sadakadır. Güzel söz sadakadır. Namaza gitmek için atılan her adım sadakadır. Yoldaki rahatsızlık veren şeyi kaldırmak sadakadır." [Buhari ve Müslim]

27An-Nawwas ibn SamanHasan

عَنْ النَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْبِرُّ حُسْنُ الْخُلُقِ، وَالْإِثْمُ مَا حَاكَ فِي صَدْرِك، وَكَرِهْت أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِ النَّاسُ«رَوَاهُ مُسْلِمٌ

I came to the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) and he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “You have come to ask about righteousness.” I said, “Yes.” He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Consult your heart. Righteousness is that about which the soul feels at ease and the heart feels tranquil. And wrongdoing is that which wavers in the soul and causes uneasiness in the breast, even though people have repeatedly given their legal opinion [in its favour].”

A good hadeeth transmitted from the musnads of the two imams, Ahmed ibn Hambal and Al- Darimi, with a good chain of authorities.

আন-নওয়াস ইবন সাম'আন (রাঃ) তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ "উত্তম চরিত্র হচ্ছে নেকী, আর গোনাহ্ তাকে বলে যা তোমার মনকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে এবং তা লোকে জানুক তা তুমি অপছন্দ কর।" [মুসলিমঃ ২৫৫৩] ওয়াবেসা ইব্‌ন মা'বাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেনঃ আমি একবার রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলে তিনি আমাকে বললেনঃ "তুমি কি নেকী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছ?"আমি বলিঃ জী হাঁ।তিনি বললেনঃ "নিজের মনকে জিজ্ঞাসা কর; যা সম্পর্কে তোমার আত্মা ও মন আশ্বস্ত থাকে তা হচ্ছে নেকী, আর গোনাহ্ হচ্ছে তা যা যদিও লোক (তার স্বপক্ষে) ফাতাওয়া দিয়ে দেয় তবুও তোমার আত্মাকে অশ্বস্তিতে রাখে ও মনে সংশয় সৃষ্টি করে।"[এটি হচ্ছে হাসান হাদীস যা আমি দুই ইমাম আহমদ ইব্‌ন হাম্বল ও আদ্-দারেমীর মুসনাদ থেকে উৎকৃষ্ট সদনে উদ্ধৃত করেছি।]

Nevvâs bin Sem’ân (ra) anlatıyor: Peygamber (ﷺ) şöyle buyurdu: "İyilik (birr), güzel ahlaktır. Günah ise vicdanını tırmalayan ve insanların bilmesini istemediğin şeydir." [Müslim]. Vabisa bin Ma’bed (ra) anlatıyor: Resulullah'a gittim, bana: "İyiliği sormaya mı geldin?"

dedi. "Evet" dedim. Buyurdu ki: "Kalbine danış. İyilik, nefsin kendisiyle huzur bulduğu ve kalbin yatıştığı şeydir. Günah ise —insanlar sana (olumlu) fetva verseler bile— içini tırmalayan ve göğsünde tereddüt uyandıran şeydir." [Ahmed b. Hanbel ve Darimi]

28Amr ibn AbasahHasan

عَنْ أَبِي نَجِيحٍ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: وَعَظَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَوْعِظَةً وَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ، وَذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُونُ، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! كَأَنَّهَا مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ فَأَوْصِنَا، قَالَ: أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ وَإِنْ تَأَمَّرَ عَلَيْكُمْ عَبْدٌ، فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيينَ، عَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ؛ فَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ

On the authority of Abu Najeeh al-‘Irbaad ibn Saariyah (radiyallahu anhu) who said: The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) gave us a sermon by which our hearts were filled with fear and tears came to our eyes.

So we said, ‘O Messenger of Allah! It is as though this is a farewell sermon, so counsel us.’ He (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘I counsel you to have taqwa (fear) of Allah, and to listen and obey [your leader], even if a slave were to become your ameer. Verily he among you who lives long will see great controversy, so you must keep to my Sunnah and to the Sunnah of the Khulafa ar-Rashideen (the rightly guided caliphs), those who guide to the right way.

Cling to it stubbornly [literally: with your molar teeth]. Beware of newly invented matters [in the religion], for verily every bidah (innovation) is misguidance.’ [Abu Dawud] It was related by at-Tirmidhi, who said that it was a good and sound hadeeth.’

আবূ নাজীহ্ আল-'ইরবাদ ইবন সারিয়াহ্ (রাঃ) তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বক্তৃতায় আমাদের উপদেশ দান করেন যাতে আমাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে ও আমাদের চোখে পানি এসে যায়। আমরা নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! মনে হচ্ছে বিদায়কালীন উপদেশ; আপনি আমাদেরকে অসীয়াত করুন।

তিনি বললেনঃ "আমি তোমাদের মহান আল্লাহকে ভয় করতে অসীয়াত করছি, আর আনুগত্য দেখাতে অসীয়াত করছি; যদি কোন গোলামও তোমাদের শাসক হয় তবুও। তোমাদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকবে তারা অনেক মতবিরোধ দেখবে; সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত ও হেদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদ্বীনের পদ্ধতি মেনে চল, তা দাঁত দিয়ে (অর্থাৎ খুব শক্তভাবে) ধরে রাখ; আর অভিনব বিষয় সম্পর্কে সাবধান থাক, কারণ প্রত্যেক অভিনব বিষয় হচ্ছে বিদ'আত, প্রত্যেক বিদ'আত হচ্ছে গোমরাহী এবং প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণাম হচ্ছে জাহান্নামের আগুন।"

[আবূ দাউদ(৪৬০৭) ও তিরমিযী(২৬৬) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, এটা সহীহ্ (হাসান) হাদীস।

Ebu Necih el-Irbâd bin Sâriye (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) bize öyle bir vaaz verdi ki, kalpler ürperdi, gözler yaşardı. Dedik ki: "Ey Allah’ın Resulü! Bu bir veda konuşması gibi; bize ne tavsiye edersiniz?" Buyurdu ki: "Size Allah’tan korkmanızı (takvayı) ve başınızdaki yönetici bir köle olsa bile dinleyip itaat etmenizi tavsiye ederim.

Benden sonra yaşayanlarınız çok ihtilaf görecekler. O zaman size düşen, benim sünnetime ve doğru yoldaki raşid halifelerin sünnetine sarılmaktır. Ona azı dişlerinizle tutunur gibi sımsıkı sarılın. Sonradan uydurulan işlerden sakının; çünkü her bid'at sapıklıktır." [Ebu Davud ve Tirmizi]

29Muadh ibn JabalHasan

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قُلْت: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَخْبِرْنِي بِعَمَلٍ يُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ وَيُبَاعِدْنِي مِنْ النَّارِ، قَالَ: «لَقَدْ سَأَلْت عَنْ عَظِيمٍ، وَإِنَّهُ لَيَسِيرٌ عَلَى مَنْ يَسَّرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ: تَعْبُدُ اللَّهَ لَا تُشْرِكْ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَتُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَتَصُومُ رَمَضَانَ، وَتَحُجُّ الْبَيْتَ، ثُمَّ قَالَ: أَلَا أَدُلُّك عَلَى أَبْوَابِ الْخَيْرِ؟

الصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الْخَطِيئَةَ كَمَا يُطْفِئُ الْمَاءُ النَّارَ، وَصَلَاةُ الرَّجُلِ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ، ثُمَّ تَلَا: «تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ «حَتَّى بَلَغَ «يَعْمَلُونَ»، [32 سورة السجدة / الأيتان: 16 و 17] ثُمَّ قَالَ: أَلَا أُخْبِرُك بِرَأْسِ الْأَمْرِ وَعَمُودِهِ وَذُرْوَةِ سَنَامِهِ؟ …

قُلْت: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ: رَأْسُ الْأَمْرِ الْإِسْلَامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلَاةُ، وَذُرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ، ثُمَّ قَالَ: أَلَا أُخْبِرُك بِمَلَاكِ ذَلِكَ كُلِّهِ؟

فقُلْت: بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ! فَأَخَذَ بِلِسَانِهِ وَقَالَ: كُفَّ عَلَيْك هَذَا. قُلْت: يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَإِنَّا لَمُؤَاخَذُونَ بِمَا نَتَكَلَّمُ بِهِ؟

فَقَالَ: ثَكِلَتْك أُمُّك وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ عَلَى وُجُوهِهِمْ (أَوْ قَالَ عَلَى مَنَاخِرِهِمْ) إلَّا حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ؟!». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ [رقم:2616] وَقَالَ: حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ»

I said, “O Messenger of Allah, tell me of an act which will take me into Paradise and will keep me away from the Hellfire.” He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “You have asked me about a great matter, yet it is easy for him for whom Allah makes it easy: worship Allah, without associating any partners with Him; establish the prayer; pay the zakat; fast in Ramadhan; and make the pilgrimage to the House.”

Then he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Shall I not guide you towards the means of goodness? Fasting is a shield; charity wipes away sin as water extinguishes fire; and the praying of a man in the depths of the night.” Then he (sallallahu alayhi wa sallam) recited: “[Those] who forsake their beds, to invoke their Lord in fear and hope, and they spend (charity in Allah’s cause) out of what We have bestowed on them. …

No person knows what is kept hidden for them of joy as a reward for what they used to do.” [as-Sajdah, 16-17] Then he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Shall I not inform you of the head of the matter, its pillar and its peak?”

I said, “Yes, O Messenger of Allah.” He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “The head of the matter is Islam, its pillar is the prayer and its peak is jihad.” Then he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Shall I not tell you of the foundation of all of that?”

I said, “Yes, O Messenger of Allah.” So he took hold of his tongue and said, “Restrain this.” I said, “O Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) of Allah, will we be taken to account for what we say with it?”

He (sallallahu alayhi wa sallam) said, “May your mother be bereaved of you, O Muadh! Is there anything that throws people into the Hellfire upon their faces — or: on their noses — except the harvests of their tongues?” It was related by at-Tirmidhi, who said it was a good and sound hadeeth.

মু'আয ইবন জাবাল (রাঃ) তিনি বলেছেনঃ আমি নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

তিনি বললেনঃ তুমি এক বৃহৎ বিষয়ে প্রশ্ন করেছ। এটা তার জন্য খুবই সহজ আল্লাহ্ যার জন্য সহজ করে দেন। তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করো না, নামায প্রতিষ্ঠা কর, যাকাত দাও, রমযানে রোযা রাখ এবং (কা'বা) ঘরে হজ্জ কর। …

তারপর তিনি বলেনঃ আমি কি তোমাদের কল্যাণের দরজা দেখাব না? রোযা হচ্ছে ঢাল, সাদকাহ্ গোনাহকে নিঃশেষ করে দেয় যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয়; আর কোন ব্যক্তির গভীর রাতের নামায। তারপর তিনি পড়েনঃ تتجافي جنوبهم عن المضاجع হতে يعلمون পর্যন্ত। যার অর্থ হলোঃ তারা শয্যা পরিত্যাগ করে তাদের রবকে ভয়ে ও আশায় ডাকে এবং আমরা তাদেরকে যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।

তাদের কর্মের জন্য যে চক্ষু শীতলকারী প্রতিফল রক্ষিত আছে তা তাদের কেউই জানে না। [সূরা আস্-সাজদাহ্ঃ ১৬-১৭] তিনি আবার বলেনঃ আমি তোমাদের কর্মের মূল এবং তার স্তম্ভ ও তার সর্বোচ্চ চূড়া বলবো কি? আমি নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।

তিনি বললেনঃ কর্মের মূল হচ্ছে ইসলাম, তার স্তম্ভ হচ্ছে নামায এবং তার সর্বোচ্চ চূড়া হচ্ছে জিহাদ। তারপর তিনি বলেনঃ আমি কি তোমাকে এসব কিছু আয়ত্তে রাখার জিনিস বলবো না? আমি নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! অবশ্যই বলুন।

তিনি নিজের জিভ ধরে বললেনঃ এটাকে সংযত কর। আমি জিজ্ঞেস করিঃ হে আল্লাহর নবী! আমরা যা বলি তার হিসাব হবে কি? তিনি বললেনঃ তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক, হে মু'আয! জিভের উৎপন্ন ফসল ব্যতীত আর কিছু এমন আছে কি যা মানুষকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করে? [তিরমিযীঃ ২৬১৬ এবং তিনি বলেছেনঃ এটা হাসান (সহীহ্) হাদীস।

Muaz bin Cebel (ra) anlatıyor: "Ey Allah’ın Resulü! Beni cennete sokacak ve ateşten uzaklaştıracak bir amel söyler misiniz?" dedim. Şöyle buyurdu: "Çok büyük bir şey sordun; ancak bu Allah’ın kolaylaştırdığı kimse için kolaydır: Allah’a ibadet eder ve O’na hiçbir şeyi ortak koşmazsın, namazı kılarsın, zekatı verirsin, Ramazan orucunu tutarsın ve Beytullah’ı haccetmemsin."

Sonra ekledi: "Sana hayır kapılarını göstereyim mi? Oruç kalkandır; sadaka, suyun ateşi söndürdüğü gibi günahı siler; bir de kişinin gece yarısı kıldığı namaz." Sonra şu ayeti okudu: "Korku ve ümit içinde Rablerine ibadet etmek için yataklarından kalkarlar... (Secde, 16-17)". …

Ardından buyurdu: "Sana bu işin başını, direğini ve zirvesini haber vereyim mi? İşin başı İslam, direği namaz, zirvesi ise cihaddır." Sonra: "Sana bütün bunların temelini haber vereyim mi?"

dedi. "Evet" dedim. Dilini tuttu ve "Şunu dizginle" buyurdu. "Biz konuştuklarımızdan da mı hesaba çekileceğiz?" diye sordum. "Anasız kalasıca Muaz! İnsanları yüzüstü cehenneme sürükleyen, dillerinin hasadından başka nedir ki?" buyurdu. [Tirmizi]

30Abu Thalabah

عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ جُرْثُومِ بن نَاشِر رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ

رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: «إنَّ اللَّهَ تَعَالَى فَرَضَ فَرَائِضَ فَلَا تُضَيِّعُوهَا، وَحَدَّ حُدُودًا فَلَا تَعْتَدُوهَا، وَحَرَّمَ أَشْيَاءَ فَلَا تَنْتَهِكُوهَا، وَسَكَتَ عَنْ أَشْيَاءَ رَحْمَةً لَكُمْ غَيْرَ نِسْيَانٍ فَلَا تَبْحَثُوا عَنْهَا». حَدِيثٌ حَسَنٌ

On the authority of Abu Thalabah al-Kushanee — Jurthoom ibn Nashir (radiyallahu anhu) — that the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Verily Allah taala has laid down religious obligations (faraid), so do not neglect them; and He has set limits, so do not overstep them; and He has forbidden some things, so do not violate them; and He has remained silent about some things, out of compassion for you, not forgetfulness — so do not seek after them. A hasan hadeeth narrated by ad-Daraqutnee and others.

আবূ সা'লাবাহ্ আল-খুশানী জুরসূম ইবন নাশিব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তা‘আলা ফরযসমূহকে অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছেন, সুতরাং তা অবহেলা করো না। তিনি সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, সুতরাং তা লঙ্ঘন করো না। এবং কিছু জিনিস হারাম করেছেন, সুতরাং তা অমান্য করো না।

আর তিনি কিছু জিনিসের ব্যাপারে নিরবতা অবলম্বন করেছেন-তোমাদের জন্য রহমত হিসেবে; ভুলে গিয়ে নয়-সুতরাং সেসব বিষয়ে বেশী অনুসন্ধান করো না।" [হাদীসটি হাসান (সহীহ্), আদ্-দারা কুতনীঃ ৪/১৮৪ ও অন্যান্য কয়েকজন বর্ণনা করেছেন।

Ebu Sa’lebe el-Huşeni (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah Teala birtakım farzlar kılmıştır, onları zayi etmeyin. Bazı sınırlar koymuştur, onları aşmayın. Bazı şeyleri haram kılmıştır, onları çiğnemeyin. Bazı şeyler hakkında da —unutkanlıktan değil— size rahmet olması için susmuştur, onları deşelemeyin." [Darekutni]

31Abu al-Abbas Sahl ibn Saad as-Saidee (radiyallahu anhu)Hasan

عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ! دُلَّنِي عَلَى عَمَلٍ إذَا عَمِلْتُهُ أَحَبَّنِي اللهُ وَأَحَبَّنِي النَّاسُ؛ فَقَالَ: ازْهَدْ فِي الدُّنْيَا يُحِبَّك اللهُ، وَازْهَدْ فِيمَا عِنْدَ النَّاسِ يُحِبَّك النَّاسُ. حديث حسن

A man came to the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) and said, “O Messenger of Allah, direct me to an act which, if I do it, [will cause] Allah to love me and the people to love me.” So he (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Renounce the world and Allah will love you, and renounce what the people possess and the people will love you.” A hasan hadeeth related by Ibn Majah and others with good chains of authorities.

আবুল আব্বাস সাহল ইবন সা'দ আস্-সা'ইদী (রাঃ) তিনি বলেছেনঃ "এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কাজ বলুন যা করলে আল্লাহ্ আমাকে ভালবাসেন, লোকেরাও আমাকে ভালবাসে। তখন তিনি বললেনঃ দুনিয়ার প্রতি অনুরাগী হবে না, তাহলে আল্লাহ্ তোমাকে ভালবাসবেন; আর মানুষের কাছে যা আছে তার ব্যাপারে আগ্রহী হবে না, তাহলে মানুষও তোমাকে ভালবাসবে।" [ইবনে মাজাহ্ঃ]

Ebu’l-Abbas Sehl bin Sa’d (ra) anlatıyor: Bir adam Peygamber'e (ﷺ) gelip: "Ey Allah’ın Resulü! Öyle bir amel göster ki, onu yaptığımda beni hem Allah sevsin hem de insanlar" dedi. Buyurdu ki: "Dünyaya karşı zahit ol (önem verme), Allah seni sevsin. İnsanların elindekine karşı zahit ol, insanlar seni sevsin." [İbn Mace]

32Abu Said al-Khudri

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ سَعْدِ بْنِ مَالِكِ بْنِ سِنَانٍ الْخُدْرِيّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ». حَدِيثٌ حَسَنٌ، رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ [راجع رقم:2341]، وَالدَّارَقُطْنِيّ [رقم:4/228]، وَغَيْرُهُمَا مُسْنَدًا. وَرَوَاهُ مَالِكٌ [2/746] فِي «الْمُوَطَّإِ«عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُرْسَلًا، فَأَسْقَطَ أَبَا سَعِيدٍ، وَلَهُ طُرُقٌ يُقَوِّي بَعْضُهَا بَعْضًا»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: There should be neither harming (darar) nor reciprocating harm (dirar). A hasan hadeeth related by Ibn Majah, ad-Daraqutnee and others as a musnad hadeeth. It was also related by Malik in al-Muwatta in mursal form from Amr ibn Yahya, from his father from the Prophet (sallallahu alayhi wa sallam), but leaving Abu Saeed from the chain. And it has other chains of narrations that strengthen one another.

আবু সাঈদ সা'দ ইবন মালিক ইবন সিনান আল-খুদরী (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "ক্ষতি করা উচিত নয়, আর ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াও উচিত নয়।

Ebu Said el-Hudri (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Zarar vermek de yoktur, zarara zararla karşılık vermek de yoktur." [İbn Mace ve Darekutni]

33Ibn Abbas

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ لَادَّعَى رِجَالٌ أَمْوَالَ قَوْمٍ وَدِمَاءَهُمْ، لَكِنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي، وَالْيَمِينَ عَلَى مَنْ أَنْكَرَ». حَدِيثٌ حَسَنٌ، رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ [في«السنن«10/252]، وَغَيْرُهُ هَكَذَا، وَبَعْضُهُ فِي «الصَّحِيحَيْنِ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Were people to be given everything that they claimed, men would [unjustly] claim the wealth and lives of [other] people. But, the onus of proof is upon the claimant, and the taking of an oath is upon him who denies. A hasan hadeeth narrated by al-Baihaqee and others in this form, and part of it is in the two Saheehs.

ইবনে আব্বাস (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি মানুষকে কেবল তাদের দাবী অনুযায়ী দিয়ে দেয়া হয় তাহলে তারা অন্যের সম্পদ ও জীবন দাবী করে বসবে। তবে নিয়ম হচ্ছে দাবীদারকে প্রমাণ পেশ করতে হবে, আর যে অস্বীকার করবে তাকে শপথ করতে হবে। [এ হাদীসটি হাসান। এটাকে বায়হাকী ও অন্যান্যগণ এভাবে বর্ণনা করেছেন এবং এর কিছু অংশ সহীহ্ হাদীসের অনুরূপ।]

İbn Abbas (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Eğer insanlara sadece iddialarına bakılarak (istedikleri) verilseydi, bazı adamlar başka kavimlerin mallarını ve canlarını talep ederlerdi. Fakat delil getirmek davacıya, yemin etmek ise inkar edene düşer." [Beyhaki]

34Abu Said al-KhudriSahih

عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ»

I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say, “Whosoever of you sees an evil, let him change it with his hand; and if he is not able to do so, then [let him change it] with his tongue; and if he is not able to do so, then with his heart — and that is the weakest of faith.” [Muslim]

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ "তোমাদের মধ্যে কেউ কোন অন্যায় দেখলে তা সে তার হাত দ্বারা প্রতিহত করবে, যদি তা সম্ভব না হয় তবে মুখ দ্বারা প্রতিহত করবে, তাও যদি না করতে পারে তাহলে অন্তর দিয়ে তা ঘৃণা করবে। আর এ হচ্ছে (অন্তর দিয়ে প্রতিহত করা) দুর্বলতম ঈমান।" [মুসলিমঃ]

Ebu Said el-Hudri (ra) anlatıyor: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "Sizden kim bir kötülük görürse onu eliyle düzeltsin; buna gücü yetmezse diliyle düzeltsin; buna da gücü yetmezse kalbiyle buğz etsin ki bu imanın en zayıf derecesidir." [Müslim]

35Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَحَاسَدُوا، وَلَا تَنَاجَشُوا، وَلَا تَبَاغَضُوا، وَلَا تَدَابَرُوا، وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إخْوَانًا، الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ، لَا يَظْلِمُهُ، وَلَا يَخْذُلُهُ، وَلَا يَكْذِبُهُ، وَلَا يَحْقِرُهُ، التَّقْوَى هَاهُنَا، وَيُشِيرُ إلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، بِحَسْبِ امْرِئٍ مِنْ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ، كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ: دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Do not envy one another, and do not inflate prices for one another, and do not hate one another, and do not turn away from one another, and do not undercut one another in trade, but [rather] be slaves of Allah and brothers [amongst yourselves]. A Muslim is the brother of a Muslim: he does not oppress him, nor does he fail him, nor does he lie to him, nor does he hold him in contempt.

Taqwa (piety) is right here [and he pointed to his chest three times]. It is evil enough for a man to hold his brother Muslim in contempt. The whole of a Muslim is inviolable for another Muslim: his blood, his property, and his honour.” [Muslim]

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিনি বলেন-রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পরস্পর হিংসা করো না, একে অপরের জন্য নিলাম ডেকে দাম বাড়াবে না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করবে না, একে অপর থেকে আলাদা হয়ে যেও না, একজনের ক্রয়ের উপর অন্যজন ক্রয় করো না। হে আল্লাহর বান্দাগণ! পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমের ভাই, সে তার উপর যুলুম করে না এবং তাকে সঙ্গীহীন ও সহায়হীনভাবে ছেড়ে দেয় না।

সে তার কাছে মিথ্যা বলে না ও তাকে অপমান করে না। তাকওয়া হচ্ছে- এখানে, তিনি নিজের বুকের দিকে তিনবার ইশারা করেন। কোন মানুষের জন্য এতটুকু মন্দ যথেষ্ট যে, সে আপন মুসলিম ভাইকে নীচ ও হীন মনে করে। এক মুসলিমের রক্ত, সম্পদ ও মান-সম্মান অন্য মুসলিমের জন্য হারাম। [মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Birbirinize haset etmeyin, müşteri kızıştırmayın, birbirinize kin beslemeyin, birbirinize sırt çevirmeyin, birinizin satışı üzerine satış yapmayın; ey Allah’ın kulları, kardeş olun! Müslüman Müslümanın kardeşidir. Ona zulmetmez, onu yardımsız bırakmaz, ona yalan söylemez ve onu hor görmez.

Takva işte buradadır (göğsüne üç kez işaret etti). Kişiye kötülük olarak Müslüman kardeşini hor görmesi yeter. Müslümanın her şeyi; kanı, malı ve ırzı (şerefi) diğer Müslümana haramdır." [Müslim]

36Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنْ

النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ نَفَّسَ عَنْ مُؤْمِنٍ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ، يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِما سَتَرَهُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ،

وََاللَّهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عَوْنِ أَخِيهِ، وَمَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إلَى الْجَنَّةِ، وَمَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِي بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ يَتْلُونَ كِتَابَ اللَّهِ، وَيَتَدَارَسُونَهُ فِيمَا بَيْنَهُمْ؛ إلَّا نَزَلَتْ عَلَيْهِمْ السَّكِينَةُ، وَغَشِيَتْهُمْ الرَّحْمَةُ، وَ حَفَّتهُمُ المَلَائِكَة، وَذَكَرَهُمْ اللَّهُ فِيمَنْ عِنْدَهُ، وَمَنْ أَبَطْأَ بِهِ عَمَلُهُ لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ

The Prophet (sallallahu alayhi wa sallam) said: Whoever removes a worldly grief from a believer, Allah will remove from him one of the griefs of the Day of Resurrection. And whoever alleviates the need of a needy person, Allah will alleviate his needs in this world and the Hereafter. Whoever shields [or hides the misdeeds of] a Muslim, Allah will shield him in this world and the Hereafter.

And Allah will aid His slave so long as he aids his brother. And whoever follows a path to seek knowledge therein, Allah will make easy for him a path to Paradise. No people gather together in one of the Houses of Allah, reciting the Book of Allah and studying it among themselves, except that sakeenah (tranquility) descends upon them, and mercy envelops them, and the angels surround them, and Allah mentions them amongst those who are with Him.

And whoever is slowed down by his actions, will not be hastened forward by his lineage. Related by [Muslim] in these words.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুমিনের দুঃখ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ কেয়ামতের দিন তার দুঃখ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তির বিপদ দূর করে দেয়, আল্লাহ্ দুনিয়াতে ও আখেরাতে তার বিপদ দূর করে দিবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখেরাতে তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন।

যে বান্দা আপন ভাইকে সাহায্য করবে, আল্লাহ্ সে বান্দাকে সাহায্য করবেন। যে ব্যক্তি জ্ঞান লাভের জন্য কোন রাস্তা গ্রহণ করে, তার অসীলায় আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ করে দিবেন। যেসব লোক আল্লাহর ঘরসমূহের মধ্যে কোন ঘরে (অর্থাৎ মসজিদে) সমবেত হবে, কুরআন পড়বে, সকলে মিলিত হয়ে তার শিক্ষা নেবে ও দেবে, তাদের উপর অবশ্যই প্রশান্তি অবতীর্ণ হবে, রহমত তাদের ঢেকে নেবে, ফেরেশতাগণ তাদের ঘিরে থাকবে আর আল্লাহ্ তাদের কথা এমন সকলের মধ্যে উল্লেখ করবেন যারা তাঁর কাছে উপস্থিত।

যে ব্যক্তি তার আমলের কারণে পিছিয়ে পড়বে, তার বংশ পরিচয় তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। [মুসলিমঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Peygamber (ﷺ) şöyle buyurdu: "Kim bir müminin dünyalık sıkıntılarından birini giderirse, Allah da onun kıyamet günündeki sıkıntılarından birini giderir. Kim darda kalmış birine kolaylık sağlarsa, Allah da ona dünyada ve ahirette kolaylık sağlar. Kim bir Müslümanın ayıbını örterse, Allah da onun dünyada ve ahirette ayıplarını örter.

Kul, kardeşinin yardımında olduğu müddetçe Allah da kulunun yardımındadır... Ameli kendisini geri bırakan kişiyi, nesebi (soyu) ileri götürmez." [Müslim]

37Ibn AbbasSahih

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا عَنْ

رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيمَا يَرْوِيهِ عَنْ رَبِّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى، قَالَ: «إنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْحَسَنَاتِ وَالسَّيِّئَاتِ، ثُمَّ بَيَّنَ ذَلِكَ، فَمَنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا كَتَبَهَا اللَّهُ عِنْدَهُ حَسَنَةً كَامِلَةً، وَإِنْ هَمَّ بِهَا فَعَمِلَهَا كَتَبَهَا اللَّهُ عِنْدَهُ عَشْرَ حَسَنَاتٍ إلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ إلَى أَضْعَافٍ كَثِيرَةٍ، وَإِنْ هَمَّ بِسَيِّئَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا كَتَبَهَا اللَّهُ عِنْدَهُ حَسَنَةً كَامِلَةً، وَإِنْ هَمَّ بِهَا فَعَمِلَهَا كَتَبَهَا اللَّهُ سَيِّئَةً وَاحِدَةً»

On the authority of Ibn Abbas (radiyallahu anhu), from the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam), from what he has related from his Lord: Verily Allah taala has written down the good deeds and the evil deeds, and then explained it [by saying]: “Whosoever intended to perform a good deed, but did not do it, then Allah writes it down with Himself as a complete good deed.

And if he intended to perform it and then did perform it, then Allah writes it down with Himself as from ten good deeds up to seven hundred times, up to many times multiplied. And if he intended to perform an evil deed, but did not do it, then Allah writes it down with Himself as a complete good deed. And if he intended it [i.e., the evil deed] and then performed it, then Allah writes it down as one evil deed.” [Al-Bukhari] [Muslim]

ইবনে আব্বাস (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রব হতে বর্ণনা করেন যে, নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ ভাল ও মন্দ কাজকে লিখে রেখেছেন। তারপর তিনি এ ব্যাখ্যা করেনঃ যে ব্যক্তি ভাল কাজের জন্য দৃঢ় সংকল্প করে কিন্তু তা সম্পন্ন করতে পারে না, তবু আল্লাহ্ তার জন্য পরিপূর্ণ নেকী লেখেন; আর দৃঢ় সংকল্প করে সে যদি তা সম্পন্ন করে তবে আল্লাহ্ নিজের কাছে তার জন্য দশ নেকী থেকে সাতশ' পর্যন্ত; বরং তার চেয়েও বেশী নেকী লেখেন।

এর বিপরীত, যদি কারো মন্দা কাজের বাসনা জাগে কিন্তু তা কাজে পরিণত না করে, আল্লাহ্ তার জন্য পরিপূর্ণ নেকী লেখেন; কিন্তু যদি সে তার কামনা বাসনাকে কাজে পরিণত করে, তবে তার জন্য একটি মন্দ কাজ লেখেন। [বুখারীঃ ৬৪৯১, মুসলিমঃ]

İbn Abbas (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) Rabbinden naklederek şöyle buyurdu: "Allah iyilikleri ve kötülükleri takdir etti (yazdı), sonra onları şöyle açıkladı: Kim bir iyilik yapmaya niyetlenir de yapamazsa, Allah onu kendi katında tam bir iyilik olarak yazar. Eğer niyetlenir ve yaparsa, Allah onu on kattan yedi yüz kata ve daha fazlasına kadar iyilik olarak yazar.

Kim bir kötülüğe niyetlenir de (Allah korkusuyla) yapmazsa, Allah onu kendi katında tam bir iyilik olarak yazar. Eğer niyetlenir ve yaparsa, Allah onu sadece bir kötülük olarak yazar." [Buhari ve Müslim]

38Abu HurayrahSahih

عَنْ أَبِي هُرَيْرَة رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: قَالَ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ: مَنْ عَادَى لِي وَلِيًّا فَقْد آذَنْتهُ بِالْحَرْبِ، وَمَا تَقَرَّبَ إلَيَّ عَبْدِي بِشَيْءٍ أَحَبَّ إلَيَّ مِمَّا افْتَرَضْتُهُ عَلَيْهِ، وَلَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ، فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْت سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ، وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ، وَيَدَهُ الَّتِي يَبْطِشُ بِهَا، وَرِجْلَهُ الَّتِي يَمْشِي بِهَا، وَلَئِنْ سَأَلَنِي لَأُعْطِيَنَّهُ، وَلَئِنْ اسْتَعَاذَنِي لَأُعِيذَنَّهُ»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, “Verily Allah taala has said: ‘Whosoever shows enmity to a wali (friend) of Mine, then I have declared war against him. And My servant does not draw near to Me with anything more loved to Me than the religious duties I have obligated upon him. And My servant continues to draw near to me with nafil (supererogatory) deeds until I Love him.

When I Love him, I am his hearing with which he hears, and his sight with which he sees, and his hand with which he strikes, and his foot with which he walks. Were he to ask [something] of Me, I would surely give it to him; and were he to seek refuge with Me, I would surely grant him refuge.’ ‘ [Al-Bukhari]’”

আবূ হুরায়রা (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার কোন বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতা করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। আমি যা তার উপর যা ফরয করেছি আমার বান্দাহ্ তা ব্যতীত অন্য কোন পছন্দসই জিনিসের দ্বারা আমার অধিক নিকটবর্তী হতে পারে না। আর আমার বান্দাহ্ নফলের সাহায্যে আমার নিকটবর্তী হতে থাকে, এমনকি আমি তাকে ভালবাসতে থাকি।

সুতরাং আমি যখন তাকে ভালবাসতে থাকি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই; যা দ্বারা সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই; যার দ্বারা সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই; যার দ্বারা সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই; যার দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কিছু চায় আমি অবশ্যই তাকে তা দেই। সে যদি আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, আমি তাকে অবশ্যই আশ্রয় দান করি। [বুখারীঃ]

Ebu Hureyre (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah Teala şöyle buyurmuştur: 'Kim Benim bir veli kuluma (dostuma) düşmanlık ederse, Ben ona savaş açarım. Kulum Kendisine farz kıldığım şeylerden daha sevimli bir şeyle Bana yaklaşamaz. Kulum nafile ibadetlerle de Bana yaklaşmaya devam eder, ta ki onu severim. Onu sevince de; onun işiten kulağı, gören gözü, tutan eli ve yürüyen ayağı olurum. Benden bir şey isterse veririm, Bana sığınırsa onu korurum.'" [Buhari]

39Ibn AbbasHasan

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إنَّ اللَّهَ تَجَاوَزَ لِي عَنْ أُمَّتِي الْخَطَأَ وَالنِّسْيَانَ وَمَا اسْتُكْرِهُوا عَلَيْهِ». حَدِيثٌ حَسَنٌ

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said: Verily Allah has pardoned [or been lenient with] for me my ummah: their mistakes, their forgetfulness, and that which they have been forced to do under duress. A hasan hadeeth related by Ibn Majah, and al-Bayhaqee and others.

ইবনে আব্বাস (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উদ্দেশ্যে আল্লাহ্ আমার উম্মাতের অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি ও ভুল ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং তার সে কাজ যা সে করতে সে বাধ্য হয়েছে।

İbn Abbas (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Allah, ümmetimden yanılma, unutma ve zorlanma (ikrah) ile yaptıkları şeylerin hükmünü kaldırmıştır (onları affetmiştir)." [İbn Mace]

40Abdullah ibn Umar (radiyallahu anhu)Sahih

عَنْ ابْن عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

قَالَ: أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَنْكِبِي، وَقَالَ: كُنْ فِي الدُّنْيَا كَأَنَّك غَرِيبٌ أَوْ عَابِرُ سَبِيلٍ. وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يَقُولُ: «إذَا أَمْسَيْتَ فَلَا تَنْتَظِرْ الصَّبَاحَ، وَإِذَا أَصْبَحْتَ فَلَا تَنْتَظِرْ الْمَسَاءَ، وَخُذْ مِنْ صِحَّتِك لِمَرَضِك، وَمِنْ حَيَاتِك لِمَوْتِك»

The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) took me by the shoulder and said, “Be in this world as though you were a stranger or a wayfarer.” And Ibn Umar (radiyallahu anhu) used to say, “In the evening do not expect [to live until] the morning, and in the morning do not expect [to live until] the evening. Take [advantage of] your health before times of sickness, and [take advantage of] your life before your death.” [Al-Bukhari]

ইবনে উমার (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাঁধ ধরে বললেনঃ দুনিয়াতে অপরিচিত অথবা ভ্রমণকারী মুসাফিরের মত হয়ে যাও। ইবনে উমার (রাঃ) বলতেন, সন্ধ্যা বেলায় উপনীত হলে সকালের অপেক্ষা করো না। আর সকালে উপনীত হলে সন্ধ্যার অপেক্ষা করো না। অসুস্থতার জন্য সুস্থতাকে কাজে লাগাও, আর মৃত্যুর জন্য জীবিত অবস্থা থেকে (পাথেয়) সংগ্রহ করে নাও। [বুখারীঃ]

Abdullah bin Ömer (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) omzumdan tuttu ve şöyle buyurdu: "Dünyada tıpkı bir yabancı veya bir yolcu gibi ol." İbn Ömer (ra) şöyle derdi: "Akşama erdiğinde sabahı bekleme, sabaha erdiğinde de akşamı bekleme. Sağlıklı olduğun zaman hastalık halin için, hayatın boyunca da ölümün için hazırlık yap." [Buhari]

41Abdullah ibn Abd ar-Rahman

عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى يَكُونَ هَوَاهُ تَبَعًا لِمَا جِئْتُ بِهِ». حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ، رَوَيْنَاهُ فِي كِتَابِ «الْحُجَّةِ«بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ»

On the authority of Abu Muhammad Abdullah ibn Amr bin al-‘Aas (radiyallahu anhu) who said: The Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) said, ‘None of you [truly] believes until his desires are subservient to that which I have brought.’ [Imam an-Nawawi says:] We have related it in Kitab al-Hujjah with a saheeh chain of narrators.’

আবূ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূল সাল্লাল্লাহু আল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউই ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না আমি যা এনেছি তার প্রতি তার ইচ্ছা-আকাঙ্খা অনুগত না হয়ে যায়। [হাদীসটি হাসান। এটাকে আমি কিতাবুল হুজ্জাহ্ থেকে সহীহ্ সনদের সাথে বর্ণনা করেছি।]

Ebu Muhammed Abdullah bin Amr bin el-As (ra) anlatıyor: Resulullah (ﷺ) şöyle buyurdu: "Arzuları (hevası), benim getirdiğim şeye tabi olmadıkça sizden hiçbiriniz gerçek manada iman etmiş olmaz." [Kitabu'l-Hücce]

42Anas ibn MalikHasan

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

قَالَ: سَمِعْت رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: يَا ابْنَ آدَمَ! إِنَّكَ مَا دَعَوْتنِي وَرَجَوْتنِي غَفَرْتُ لَك عَلَى مَا كَانَ مِنْك وَلَا أُبَالِي، يَا ابْنَ آدَمَ! لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُك عَنَانَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتنِي غَفَرْتُ لَك، يَا ابْنَ آدَمَ!

إنَّك لَوْ أتَيْتنِي بِقُرَابِ الْأَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتنِي لَا تُشْرِكُ بِي شَيْئًا لَأَتَيْتُك بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً»

I heard the Messenger of Allah (sallallahu alayhi wa sallam) say, “Allah the Almighty has said: ‘O Son of Adam, as long as you invoke Me and ask of Me, I shall forgive you for what you have done, and I shall not mind. O Son of Adam, were your sins to reach the clouds of the sky and you then asked forgiveness from Me, I would forgive you.

O Son of Adam, were you to come to Me with sins nearly as great as the Earth, and were you then to face Me, ascribing no partner to Me, I would bring you forgiveness nearly as great as it [too].’ ‘ It was related by at-Tirmidhi, who said that it was a hasan hadeeth.’”

আনাস (রাঃ) তিনি বলেন- রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেনঃ হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমার কাছে (ক্ষমা) প্রত্যাশা করবে, তুমি যা-ই প্রকাশ হোক না কেন আমি তা ক্ষমা করে দেব- আর আমি কোন কিছুর পরোয়া করি না। হে আদম সন্তান! তোমার গোনাহ্ যদি আকাশ সমান হয়ে যায় আর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব।

হে আদম সন্তান! যদি তুমি পৃথিবী পরিমাণ গোনাহ্ নিয়ে আমার কাছে আস এবং আমার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক না করে (আখেরাতে) সাক্ষাত কর, তাহলে আমি সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে তোমার সঙ্গে সাক্ষাত করবো। [তিরমিযী (নং-৩৫৪০) এ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।

Enes (ra) anlatıyor: Resulullah'ın (ﷺ) şöyle buyurduğunu işittim: "Allah Teala buyurdu ki: 'Ey Ademoğlu! Sen Bana dua ettiğin ve Benden ümitvar olduğun sürece, işlediğin günah ne olursa olsun aldırmam ve seni bağışlarım. Ey Ademoğlu! Günahların gökyüzündeki bulutlara kadar ulaşsa, sonra Benden mağfiret dilesen seni bağışlarım. Ey Ademoğlu! Bana yer dolusu günahla gelsen, ancak Bana hiçbir şeyi ortak koşmadan huzuruma çıksan, Ben de seni yer dolusu mağfiretle karşılarım.'" [Tirmizi]

The Hadith and the Qur'an.
On your phone, offline.

Seventeen collections, the whole Qur'an and Identify, free in the app.